এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমের অর্থায়নে যাত্রা শুরু করলো বেগম খালেদা জিয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়।বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এ বিদ্যালয়ের উদ্বোধন উপলক্ষে সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে বিদ্যালয়টির উদ্বোধক মোস্তফা হাকিম গ্রুপের পরিচালক ও শিক্ষানুরাগী মো. সরওয়ার আলম বলেন, আমাদের ফাউন্ডেশন ও ট্রাস্ট এবং আমাদের পিতা সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমের উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়ার সাথে সাথে বিপুল সংখ্যক আলেম ও হাফেজ দিয়ে ১০১ বার পবিত্র কোরআন শরীফ খতম দেয়ার পর তার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তার কবরস্থানে হাফেজ দ্বারা ৪০ দিনব্যাপী খতমে কুরআনের আয়োজন করা হয়, যা চলমান আছে।
চার দিনের মাথায় কুলখানি ও জিয়াফত করা হয়, পাঁচ দিনের মাথায় ফল কুলখানি অনুষ্ঠিত হয় এবং গরিব দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুর দশদিনের মাথায় তার নামে দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন করা হয় এবং ১৩ দিনের মাথায় পটিয়ায় বেগম খালেদা জিয়া জামে মসজিদ ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। আজ বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর ১৫ দিনের মাথায় আমরা বেগম খালেদা জিয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করলাম। এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশে কেউ গ্রহণ করেছে কি-না আমাদের জানা নেই।
মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেত্রী, তার আদর্শ ধারণ করে আমরা সামনে এগিয়ে যাব।
বেগম খালেদা জিয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রথম দিনে ৪০০ ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম।
তিনি বলেন, আমরা সমাজের সেবা করি, শিক্ষার আলোতে আলোকিত মানুষ গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমাকে মেয়র পদে নির্বাচন করার অনুমতি দিয়ে আমাকে চিরদিন ঋণী করে গেছেন।
তার আদর্শে ছাত্ররা উদ্বুদ্ধ হবেন এ লক্ষ্যে আমরা তার নামে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে। আমাদের সকল প্রয়াস দেশ ও জাতির কল্যাণে নিবেদিত। ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করা আমাদের কোন লক্ষ্য নয়। মানব সেবার মাধ্যমে, শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে, মসজিদ, মাদ্রাসার মাধ্যমে আমাদের কার্যক্রম।
বেগম খালেদা জিয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল ড্রেস প্রশিক্ষা সামগ্রী উপহার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন শিক্ষাবিদ মোহাম্মদ আলমগীর, বাদশা আলম, সমাজসেবক নেছার আহমদ, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাবেক নেতা সিরাজউদ্দীন, আকবর শাহ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন টনু , ১১নং ওয়ার্ড বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ শফি, মো. শফিউল আলম, মোহাম্মদ রফিক, বাবুল হক, বিএনপি নেতা নওশাদ আলী, সিরাজ উদ্দিন, যুবদলের নেতা নিজামুদ্দিন, বিএনপি নেতা মো. শাহজাহান, নাসির, জানে আলম প্রমুখ।







