রাজধানীর প্রতিটি বাসায় সোলার বসানোর উদ্যোগ সরকারের

রাজধানীর প্রতিটি বাসায় সোলার বসানোর উদ্যোগ সরকারের

রাজধানীতে বাড়তে থাকা বিদ্যুৎচাপ কমাতে এবার আবাসিক ভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে জোর দিচ্ছে সরকার। ঢাকার প্রায় প্রতিটি বাসাবাড়িতে ধাপে ধাপে সোলার প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও নির্মাণ সরঞ্জামবিষয়ক বিআইআইডি এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এই এক্সপোর মিডিয়া পার্টনার হিসাবে রয়েছে দৈনিক সময়ের আলো।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়ানো ছাড়া উপায় নেই।বিদ্যুতের ব্যাকআপ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সোলার পাওয়ারকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে আগামী জুনের মধ্যেই নতুন নীতিমালা জারি করা হতে পারে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এতদিন সঠিক পরিকল্পনা ও নেতৃত্বের অভাবে দেশে সৌরবিদ্যুতের বিস্তার প্রত্যাশিত মাত্রায় হয়নি। তবে বর্তমান সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং বিশেষ করে সৌর ও বায়ুশক্তির ব্যবহার বাড়াতে চায়।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘পাওয়ার, এনার্জি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। ছবি : সময়ের আলো

বৃহস্পতিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘পাওয়ার, এনার্জি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। ছবি : সময়ের আলো

বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনের বিদ্যুৎ আবিষ্কারের বরংবার প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে দৈনিক সময়ের আলোর চিফ অপারেটিং অফিসার মুনিফ আম্মার বলেন, আমাদের দেশে একদিন বিদ্যুৎ না থাকলে কেমন হবে, এই কিছুদিন আগে ফুয়েল পাম্পে তেল না থাকায় আমাদের নাভিশ্বাস হওয়ার মতো অবস্থা হয়েছিল। কিন্তু আমারা ঘর থেকে বের হয়ে আকাশের দিকে তাকাই না, যে আকাশটা আমাদের সবচেয়ে বড় রিনিউয়েবল এনার্জি সোর্স (নবায়নযোগ্য শক্তি) হতে পারে। সে দিকে তাকালে সব কিছু সমাধান হয়ে যেত। আমারা এই সেক্টরটাকে যদি একটু গুরুত্ব দেই, তাহলে আমদানি নির্ভর জ্বালানি ওপর নির্ভরশীল থাকতে হবে না।

তিনি আরও বলেন, মরক্কো দিকে তাকালে দেখা যায়, দেশটি সাহারা মরুভূমিতে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সোলার প্লান্ট তৈরি করেছে। ইউরোপের দেশ জার্মানি এক সময় কয়লা নির্ভর দেশ ছিল, এখন দেশটিতে রয়েছে পৃথিবীর অন্যতম বড় রিনিউয়েবল এনার্জি সোর্স। এদিকে আমাদের পাশের দেশ ভারত ও পাকিস্তান একই পথে আগাচ্ছে। তাহলে আমরা কেন ৪ বা ৫ মেগাওয়াটে আটকে থাকবো। অনুষ্টানে আগের বক্তা বললেন ২৯ মেগাওয়াটের প্রজেক্ট হাতে নিয়েছেন। এভাবে একদিন ২৯ থেকে ২৯০০ মেগাওয়াট হতে বেশি দিন লাগবে না।

এক্সপোর মিডিয়া পার্টনার হিসাবে রয়েছে দৈনিক সময়ের আলো। আয়োজক হিসেবে আছে ‘এক্সপোনেট’। এটি চলবে ৭-৯ মে পর্যন্ত, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on email