
এই ম্যাচের আগ পর্যন্ত বিশ্বকাপে তার গোল ছিল ১৫টি। হ্যাটট্রিকের তৃতীয় গোলটি যুক্ত হয়ে সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬-তে, যার মাধ্যমে তিনি ছুঁয়ে ফেলেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে।
হ্যাটট্রিকের পথে দ্বিতীয়ার্ধে ছিল মেসির একের পর এক আক্রমণ। ৬০তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল করার পর থেকেই তৃতীয় গোলের জন্য তীব্রভাবে চেষ্টা চালিয়ে যান তিনি। ৬৬তম মিনিটে একক প্রচেষ্টায় গোলের সুযোগ তৈরি করলেও আলজেরিয়ার গোলরক্ষক সেই যাত্রায় দলকে রক্ষা করেন।
তবে ৭৬তম মিনিটে আর কোনো বাধা থাকেনি। নিজেই আক্রমণের সূচনা করে, নিকো গঞ্জালেসের সঙ্গে দ্রুত পাসিংয়ে বক্সে ঢুকে প্রথম টাচেই বল জালে পাঠান মেসি। পুরো স্টেডিয়াম তখন দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানায় আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে।
হ্যাটট্রিক পূর্ণ হওয়ার পর ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে তাকে তুলে নেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। মাঠ ছাড়ার সময় গ্যালারিভর্তি দর্শক দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে বিদায় জানান এই কিংবদন্তিকে।







