
আজ ২৫ অক্টোবর ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন। ১৯৯৫ সালের এই দিনে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিয়ে পেশাগত জীবন শুরু করেছেন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
জাইমা রহমানের পারিবারিক পরিচয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় জড়িয়ে আছে। তাঁর দাদা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দাদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। নানা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানও দেশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
শৈশবে ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়াশোনা করেন জাইমা। ২০০৮ সালে বাবা তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে চলে যান তিনি। পরে যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১৯ সালে ইনার টেম্পল থেকে ব্যারিস্টার ডিগ্রি লাভ করেন। ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হন বলে প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
আইনপেশায় যুক্ত হয়ে তিনি সাংবিধানিক আইন, করপোরেট ও বাণিজ্যিক বিষয় এবং করসংক্রান্ত আইনি বিষয়ে কাজ করেছেন। পেশাগত অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবে দেশের একটি আইন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার কথাও জানা যায়।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও জাইমা রহমানের অংশগ্রহণ রয়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্টে বিএনপির প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে অংশ নেন তিনি। ওই সফরে দলের তৎকালীন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীও ছিলেন। একই বছরের নভেম্বরে বিএনপির একটি সভায় প্রথমবারের মতো যোগ দেন জাইমা।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। সেখানে আন্তর্জাতিক আইনি বিষয় নিয়ে কাজ করছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
পেশাগত কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজেও যুক্ত রয়েছেন জাইমা রহমান। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা নিয়ে কাজ করা সংস্থা সুরভীর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। শিক্ষা, সুশাসন, বিচারপ্রার্থীদের অধিকার, লিঙ্গসমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মতো বিষয়েও তাঁর আগ্রহ রয়েছে বলে জানা যায়। জন্মদিনে শুভানুধ্যায়ীরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, সাফল্য ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ কামনা করছেন।







