গতকাল ১৭ই জানুয়ারি, শনিবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) ৩৩০ জন দুষ্কৃতকারীর তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব শওকত আজম খাজা সহ ১৫ জন নেতাকর্মীর নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে রাতে সংশোধিত তালিকায় শওকত আজম খাজার নাম বাদ দেওয়া হয়।
মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক জনাব এরশাদ উল্লাহ এবং সদস্য সচিব জনাব নাজিমুর রহমান এক যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, এই তালিকায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। তালিকায় মৃত ব্যক্তির নামও অন্তর্ভুক্ত আছে। পাশাপাশি, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য গত ১৭ বছর ধরে যারা আন্দোলন ও সংগ্রামে নির্যাতিত হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে গঠিত গায়েবি মামলার তালিকার নামকে দুষ্কৃতকারীর তালিকায় গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মহানগর বিএনপির যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ এই তালিকা দেখে গভীরভাবে বিস্মিত হয়েছেন। তারা সিএমপির এ কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এবং জোর দাবি জানিয়েছেন, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী ও অস্ত্রধারীদের নামেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
তারা বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি জোরদারভাবে উল্লেখ করছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের হেনস্থা করা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের সংবিধান ও আইনকে উপেক্ষা করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করা সম্পূর্ণ অনুচিত। আমরা দৃঢ়ভাবে দাবি জানাই, প্রকৃত অপরাধীদের সনাক্তকরণের মাধ্যমে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের প্রতি কোনো অন্যায় ও অব্যবস্থাপনা না ঘটে।