নির্বাচনে দায়িত্বরতদের কোনো ধরনের গাফিলতির দায় নির্বাচন কমিশন নেবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
তিনি বলেন, ‘আমরা শতভাগ সুষ্ঠু ও সৎভাবে দায়িত্ব পালন আশা করি। দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় আমরা মেরুদণ্ড সোজা করতে চাই। যেকোনো অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে।’
সোমবার সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সাতকানিয়া উপজেলায় ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের ত্যাগের কথা মাথায় রাখতে হবে। রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি সবার দায়বদ্ধতা আছে। কেন্দ্রে কোনো প্রকার স্বজনপ্রীতি চলবে না। দেশ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
ভোটকেন্দ্র মনিটরিংয়ের জন্য ক্যামেরা বসানো হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘নিজেদের বিবেক কোনোভাবেই বিক্রি করবেন না। আমাদের যেন আপনাদের প্রতি কঠোর হতে না হয়। এ পবিত্র ভূমিতে অনেক রক্ত ঝরেছে, আমরা আর রক্ত চাই না।’
চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন বলেন, বিগত সময়ের নির্বাচনগুলো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শেষ করে দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই অবস্থা থেকে মুক্ত হতে হবে। নির্বাচনে কোনো চাপ না থাকলেও দায় আছে। তাই বৈধ আদেশ ও নির্দেশনা পালনে সতর্ক থাকতে হবে। পেশিশক্তির চাপ এলে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মাহামুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামছুজ্জামান, ৯ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারির উপঅধিনায়ক মেজর আখলাফ, চট্টগ্রাম আনসার ও ভিডিপির পরিচালক মোস্তাক আহমদ, জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক গোলাম মঈন উদ্দিন হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন, জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বশির আহমেদ, সাতকানিয়া আর্মি ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন এস এম সাকিবুজ্জামান শামীম পারভেজ ও সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক।