
তিনি বলেন, ‘বর্তমান চেয়ারম্যানই চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান সংকটের কারণ। তাকে অবিলম্বে চেয়ারম্যান পদ থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।’
সংগ্রাম পরিষদের অন্য দাবিগুলো হলো— আগের আন্দোলনে যেসব কর্মচারীর বিরুদ্ধে বদলি, চার্জশিট, সাময়িক বরখাস্ত ও পদাবনতি করা হয়েছে, সেসব শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল করে সবাইকে নিজ নিজ পদে পুনর্বহাল করা। পাশাপাশি আন্দোলনরত শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর, ডক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুণ, সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, মার্চেন্ট শ্রমিক ইউনিয়নের সমন্বয়ক ইয়াসিন রেজা রাজুসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।
এর আগে, এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ কয়েক দফা কর্মবিরতি পালন করে। এতে আমদানি পণ্য ডেলিভারি, কনটেইনার হ্যান্ডলিং এবং জেটিতে জাহাজ আনা–নেওয়া বন্ধ হয়ে বন্দরে অচলাবস্থা তৈরি হয়।
গত বৃহস্পতিবার নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠক করে আশ্বাস দিলে সাময়িকভাবে কর্মবিরতি স্থগিত করা হয়েছিল। তবে দাবি বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হওয়ায় ফের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ঘোষণা দেওয়া হয়।