অর্থনীতির কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর ওপর জোর দিতে হবে -অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতির কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর ওপর জোর দিতে হবে -অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতির কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

গতকাল বিকেলে পতেঙ্গা মেরিন ড্রাইভ এলাকায় প্রস্তাবিত হাসপাতাল নির্মাণের স্থান পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ট্যাক্স বাড়াতে হবে, আর ট্যাক্স বাড়ানোর মাধ্যমে ইনভেস্টমেন্ট বাড়াতে হবে। অর্থনীতিকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে হলে রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে দেশের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এজন্য কর ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও সম্প্রসারিত করার বিকল্প নেই। তবে কর বৃদ্ধি এমনভাবে করতে হবে যাতে উৎপাদন ও ব্যবসা বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।

তিনি আরও জানান, আগামী জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হবে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে। আমাদের লক্ষ্য থাকবে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা। দেশী ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে, বলেন তিনি।
এসময় মন্ত্রী উল্লেখ করেন, স্বাস্থ্য খাতেও বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। পতেঙ্গা মেরিন ড্রাইভ এলাকায় হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগকে তিনি সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, চট্টগ্রামের চিকিৎসা অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে রাজস্ব বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান এই তিনটি বিষয়ের ওপর সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সরকারের নীতিগত পরিকল্পনা সে লক্ষ্যেই এগোচ্ছে বলে জানান তিনি।
চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানাধীন জেলে পাড়া এলাকায় প্রস্তাবিত সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে নির্ধারিত জমি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

পরিদর্শনকালে কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল রিয়ার এডমিরাল মোঃ মঈনুল হাসান কর্তৃক মন্ত্রীকে জমির অবস্থান, ভৌগোলিক পরিবেশ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পারিপার্শ্বিক অবকাঠামোগত সুবিধা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন সম্ভাবনা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে অবহিত করা হয়।

এ সময় অধিনায়ক বানৌজা উল্কা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), জেলা প্রশাসক কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, প্রস্তাবিত হাসপাতালটি বাস্তবায়িত হলে পতেঙ্গা ও আশপাশের জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর চিকিৎসা অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ নিয়ে ভোলা, সদস্য সরফরাজ কাদের রাসেল।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on email