চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বলেছেন, বিগত সরকারের অবহেলা ও অনিয়ম দুর্নীতির কারনে ডাক বিভাগের কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি। ফলে দিনে দিনে ডাক বিভাগের জনহিতকর কার্যকলাপ মানুষ ভুলে যেতে বসেছে। বিগত সরকারগুলোর সময়ে বড় বড় অনিয়ম এবং দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। বর্তমানে ডাক বিভাগে জনবল সংকট। সেই সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে ডাক বিভাগের সেবাকার্য। অথচ ডাক বিভাগের রয়েছে বর্ণাঢ্য ইতিহাস। ডাক বিভাগের কর্মচারীরাই ছিলেন সরকার আর জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধনের অন্যতম মাধ্যম। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে ডাক বিভাগকে প্রযুক্তি নির্ভর ও আধুনিকায়ন করা হবে।
তিনি মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে চট্টগ্রাম জিপিও'তে বাংলাদেশ পোস্টম্যান ও নিম্ন বেতনভোগী কর্মচারী ইউনিয়ন বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য জেলা শাখা আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এতে প্রধান বক্তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন বলেন, প্রযুক্তির যুগে ডাক বিভাগ এতটা পিছিয়ে থাকবে তা মেনে নেওয়া যায় না। তাই আমাদেরকে নানমূখি প্রযুক্তি ব্যবহার এবং ডাক কর্মচারীদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে কাজের দক্ষতা বাড়াতে হবে। আমরা দেখছি প্রায় ডাকঘর জরাজীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ। এসব অফিস সংস্কার করে আকর্ষণীয় করে গ্রাহককে আকৃষ্ট করা এবং কর্মচারীদের কাজের পরিবেশ নিশ্চিৎ করতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ডাক বিভাগের অধুনিক ও যুগোপযোগী করতে হবে। বিগত সরকারের অনিয়ম দুর্নীতির স্বেতপত্র প্রকাশ করে দোষিদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের অন্তর্ভূক্ত বাংলাদেশ পোস্টম্যান ও নিম্ন বেতনভোগী কর্মচারী ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম শহীদ ইকবালের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলামের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ডাক বিভাগের পূর্বাঞ্চলের অতিরিক্ত পোস্টমাস্টার জেনারেল ড. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দীন, চট্টগ্রাম জিপিও সিনিয়র পোস্টমাস্টার মুহাম্মদ আবদুল্লাহ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সাধারন সম্পাদক কাজী শেখ নুর উল্লাহ বাহার, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম সাইফুল আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, টেরী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবদুল মান্নান, কর্মচারী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সহ সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আফসার উদ্দিন শিফন, বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য জেলা শাখার নেতা বদিউল আলম, আবদুল করিম, ইমাম উদ্দিন, তমাল কান্তি দাশ, জামাল উদ্দিন, আকবর হোসেন, মো. আলমগীর, মো. বেলাল, নুরুল আবসার, মাহাবুব আলম, মুবিনুল হক, মাহমুদুর রহমান, মাইনুদ্দিন, মো. মাসুম, দিদারুল আলম, আবদুল হান্নান, মো. ইয়াছিন, মো.ফারুক, অমল কান্তি দে, লিটু শীল প্রমূখ।