চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেছেন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গৌরবময় ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। একাত্তরের রক্তস্নাত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ঐতিহাসিক ঘোষণায় জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। শোষণ ও বঞ্চনামুক্ত, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। ১৯৭১ সালে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা দিশেহারা জাতিকে যুদ্ধের প্রেরণা জোগায়। তাঁর এই সাহসী ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধের স্ফুলিঙ্গ তৈরি করে।
তিনি বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে নগরীর ষোলশহরস্থ বিপ্লব উদ্যানে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের অন্তর্ভূক্ত বাংলাদেশ পোস্টম্যান ও নিম্ন বেতনভোগী কর্মচারী ইউনিয়ন, (রেজিঃ নং বি-২১০৪) বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য জেলা শাখার উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত বিপ্লব বেদীতে পুস্পস্তবক অর্পনকালে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে শহিদ জিয়া রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে এসে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে একটি বহুদলীয় গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসাবে পরিচিত করেছেন। বড় বড় রাষ্ট্রের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তিনি শহীদ জিয়ার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সততা ও নিষ্ঠার সাথে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন এবং সুখে দু:খে মানুষের পাশে থাকার জন্য দলীয় সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শহীদ ইকবাল বলেন, দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্রের কারণে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বারবার ব্যাহত হয়েছে। অর্থনৈতিক অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বও বিভিন্নভাবে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের নতুন করে শপথ নেওয়ার শিক্ষা দেয়। যাতে আমরা বহুদলীয় গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে পারি।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, বাংলাদেশ পোস্টম্যান ও নিম্ন বেতনভোগী কর্মচারী ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম শহীদ ইকবাল। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের চট্টগ্রাম জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ মনিরুল আলম মোল্লা, বদিউল আলম, তমাল কান্তি দাশ, মো. আলমগীর, তরুন দত্ত, মো. বকতিয়ার উদ্দিন, আবু তালেব মোহন, মো. বকতিয়ার, দিদারুল আলম, মো. মোর্শেদ আলম, নরুল আফসার, মোর্শেদ প্রধানিয়া প্রমুখ।