সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন পে-স্কেল বা বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের দিকনির্দেশনা নিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার ও প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর উপস্থিত ছিলেন।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেলা দেড়টার কিছু সময় পরে শুরু হয়ে বেলা ৩টার আগে বৈঠকটি শেষ হয়।
বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ পর্যালোচনার কাজ সচিব কমিটি অব্যাহত রাখবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বৈঠক শেষে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
তিনি বলেন, ‘সচিব কমিটি পর্যালোচনা শেষে প্রতিবেদন জমা দেবে। সেই সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।’
তিতুমীর বলেন, ‘সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো যে প্রক্রিয়ায় যাওয়ার কথা, সেই প্রক্রিয়া অনুযায়ীই তা সম্পন্ন হবে। এ বিষয়ে সরকার কাজ করছে।’
তিনি বলেন, ‘সচিব কমিটি রয়েছে। এই কমিটি পর্যালোচনার কাজ করবে এবং সেই অনুযায়ী সুপারিশ দেবে। সুপারিশের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।’
এদিকে নতুন পে-স্কেলের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ডাকে ৬ দিনের কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণে অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের একটি জাতীয় বেতন কমিশন তাদের প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন এখন ২০২৬-২৭ অর্থবছরে গড়াতে পারে। সেক্ষেত্রে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সম্ভাবনাই বেশি। প্রথমে মূল বেতন কার্যকর করা এবং পরে অন্যান্য ভাতা ও সুবিধা যুক্ত করা হতে পারে।