চট্টগ্রাম সিটি কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনের দেয়ালে থাকা একটি গ্রাফিতিতে গুপ্ত লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের উপর শিবির হামলা করে।এতে ছাত্রদলের ১৫ নেতা কর্মী আহত হয়।কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনের দেয়ালে থাকা শিবিরের একটি গ্রাফিতিতে কে কারা গুপ্ত লেখাকে কেন্দ্র করে সকালে শিবির নেতারা ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের উপর অতর্কিত হামলা করে।কিছু বুঝে উঠার আগেই হামলায় ১৫ জন আহত হন।আহতদের নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ পরিস্থিতিতে কলেজের ক্লাস ও নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষ এবং মাস্টার্সের পরীক্ষা হয়েছে।
এর মধ্যে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে কলেজের অভ্যন্তরীণ ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান পরীক্ষাগুলো যথারীতি অনুষ্ঠিত হয়।মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল থেকেই উত্তেজনা শুরু হয়ে দুপুর ১২টার দিকে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।এতে ১৫ জন ছাত্রদল নেতা কর্মী আহত হন। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও স্লোগান চলতে থাকে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
শিবির রাতের আঁধারে বিভিন্ন দেয়ালে গ্রাফিকস অংকন করে ছাত্ররাজনীতির নিষিদ্ধের কথা লিখে থাকে।নগরীর চট্টগ্রাম কলেজ,হাজী মহসিন কলেজ ক্যাম্প দখল করে নিজেদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেলেও অন্য সংগঠন কে তারা কোন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেয়না।তারা গুপ্তভাবে সাংগঠনিক কাজ পরিচালনা করে থাকে।

কলেজের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, 'শিক্ষার্থীদের বোঝানো হয়েছে, এ ধরনের পরিস্থিতির কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা বিঘ্নিত হলে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হবে। পরে শিক্ষার্থীরা সরে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। তবে দুপুরের পর থেকে অভ্যন্তরীণ সব ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়।তথ্যটি নিশ্চিত করে কলেজের অধ্যক্ষ আবু সালেহ মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন বলেন, 'দুই পক্ষের মধ্যে এমন ঘটনা ঘটেছিল। প্রথমে শিক্ষকরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ এসে নিয়ন্ত্রণে আনে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।