ইরানকে আবারও কঠোর ভাষায় সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তেহরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে, না হলে সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে পড়তে হবে। চীনে সফররত অবস্থায় মার্কিন এক টিভি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘তারা চুক্তি করবে, না হলে তাদের ধ্বংস হয়ে যেতে হবে।’
ট্রাম্প বলেন, ইরান তাদের কিছু অস্ত্র, বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র, ভূগর্ভস্থ জায়গা থেকে সরিয়ে নিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের এই সামরিক প্রস্তুতির বিষয়ে ভালোভাবেই জানে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, প্রয়োজন হলে এসব সামরিক সক্ষমতা খুব দ্রুত ধ্বংস করা সম্ভব।
তবে একই সঙ্গে ট্রাম্প ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব নিয়ে কিছুটা ভিন্ন সুরও দেন। তার মতে, নতুন কিছু কর্মকর্তা আগের তুলনায় বেশি ‘যুক্তিসঙ্গত ও বুদ্ধিমান’। তিনি বলেন, বর্তমান নেতৃত্বের একটি অংশ আগের কর্মকর্তাদের তুলনায় আলোচনায় বেশি ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে।
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার দরকার আছে কি না— এ প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, এটি নিরাপত্তার চেয়ে জনমতের সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত হতে পারে। তিনি দাবি করেন, এই বিষয়টি সামনে আনার উদ্যোগ তিনিই প্রথম নিয়েছিলেন।
অন্যদিকে, বেইজিং সফররত মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার জানিয়েছেন, চীন স্পষ্ট করে বলেছে— তারা হরমুজ প্রণালি কোনো ধরনের বাধা, টোল বা সামরিক নিয়ন্ত্রণ ছাড়া খোলা দেখতে চায়।
গ্রিয়ারের মতে, চীন বর্তমান পরিস্থিতিতে বাস্তববাদী অবস্থান নিচ্ছে এবং ইরানের পক্ষে সরাসরি অবস্থান নিতে চায় না। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের বিশ্বাস— চীন এই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখতে ভূমিকা রাখবে এবং ইরানকে অতিরিক্ত সহায়তা দেওয়া থেকে বিরত থাকবে।