
প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের খতিব হযরতুল আল্লামা আলহাজ সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী। নামাজ শেষে তিনি খুতবা পাঠ করেন। খুতবায় কোরবানির তাৎপর্য, পশু জবাইয়ের নিয়ম এবং কোরবানির মাংস সঠিকভাবে বিলি-বণ্টনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে মুসল্লিরা পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে পুরো এলাকায় ১৪০টি সিলিং ফ্যান, ৬০টি স্ট্যান্ড ফ্যান, ৭০টি মাইক এবং নিরাপত্তার জন্য ৩০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করেন।
একই স্থানে সকাল ৮টায় দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক।
এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে নগরের ৯টি মসজিদে সকাল ৮টায় পৃথক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত কমিটি ও জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেশিয়াম মাঠে সকাল ৮টায় আরেকটি প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ইমামতি করেন বায়তুশ শরফ আদর্শ সিনিয়র কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আল্লামা ড. সাইয়েদ আবু নোমান।
এদিকে ঈদের নামাজ শেষে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পশু কোরবানিতে অংশ নেন। অনেকে ভোর থেকেই কোরবানির পশু গোসল করিয়ে প্রস্তুত রাখেন। পরে কোরবানির মাংস দরিদ্র ও অসহায়দের মাঝে বিতরণ করা হয়।
পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে অনেকেই গ্রামের বাড়িতে গেলেও নগরে অবস্থানকারীরাও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপন করে।