
আমদানিতে নানা ধরনের শুল্ক ও করে ছাড় দেওয়ায় বেশ কিছু পণ্য ও সেবার দাম কমতে পারে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে। কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ অগ্রিম কর পুরোপুরি মওকুফ করার প্রস্তাব করা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। এছাড়া কিডনি রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার হওয়া ‘ব্লাড টিউবিং সেট ফর হেমোডায়ালাইসিসের’আমদানি পর্যায়ে সাড়ে ৭ শতাংশ আগাম কর পুরোপুরি অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে কিডনি ডায়ালাইসিসের খরচ কমবে।
আমদানি করা হার্টের রিং বা স্টেন্ট এবং চোখের ইন্ট্রাওকুলার লেন্সের সরবরাহের ক্ষেত্রে যোগানদার পর্যায়ের ১০ শতাংশ ভ্যাটের পুরোটা অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে প্রতিটি হার্টের রিং বা স্টেন্টের মূল্য প্রায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত কমতে পারে। চোখের প্রতিটি ইন্ট্রাওকুলার লেন্সের দাম করতে পারে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।
নতুন কাঠামোতে কোন গ্রেডে কত বেতন?
বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের ব্যবহারের জন্য আমদানি করা ১৫টি পণ্যের অগ্রিম আয়করের হার ২ শতাংশ থেকে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার সরবরাহে উৎসে করের হার ৫ শতাংশ থেকে কমে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে। তবে জুয়েলারি সেবার বিপরীতে ৫ শতাংশ ভ্যাটের পরিবর্তে প্রতি ভরি হিসেবে ২,৫০০ টাকা সুনির্দিষ্ট ভ্যাট নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইলেক্ট্রিক বাস ও ট্রাক আমদানি এবং ইলেক্ট্রিক চার্জিং স্টেশন ক্ষেত্রে উৎসে কর হার ৫ শতাংশ পুরোপুরি প্রত্যাহারের প্রস্তাবও করেছেন অর্থমন্ত্রী।
কম্পিউটারের প্রিন্টার, পোর্টেবল অটোমেটিক ডাটা প্রসেসিং মেশিন, ফ্ল্যাশ মেমোরি এবং কম্পিউটার মনিটর আমদানিতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ অগ্রিম কর কমিয়ে ২ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব রয়েছে নতুন অর্থবছরের ক্ষেত্রে।
স্থানীয়ভাবে মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ২২টি কাঁচামাল আমদানিতে অগ্রিম করের হার নামতে পারে ১ শতাংশে।
বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীর কাছে থেকে বিদ্যুৎ কেনার ওপর উৎসে কর কর্তনের হার ৪ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশে নামানোর কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।
মোবাইলের ৩০০ টাকা সিমট্যাক্স প্রত্যাহার করা হয়েছে, তবে দিতে হবে দামের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট।
ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার প্রিন্টার ও কম্পিউটার মনিটর আমদানির ক্ষেত্রে সমুদয় আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। এসএসডি আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক ব্যতীত সমুদয় রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার করার প্রস্তাব রয়েছে বাজেটে।







