রোমাঞ্চকর এই ম্যাচের লাইভ আপডেট প্রচারিত হবে যুগান্তর অনলাইনে। মাঠের লড়াই, ম্যাচের ফলাফল ও পয়েন্ট তালিকার সর্বশেষ অবস্থা জানতে চোখ রাখুন এখানে।
রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে চেকদের হারাল কোরিয়া
গোল হজমের পরই শোধের চেষ্টা চেকদের, ঠেকালেন কোরিয়া গোলরক্ষক
চেকিয়ার আক্রমণ থেকে গোলের ভালো সুযোগ তৈরি হয়েছিল। বক্সের বাঁ দিকের খুব কাছ থেকে বাঁ পায়ের শট নেন আদাম হ্লোজেক। তবে নিচের বাঁ কোণে লক্ষ্য করে নেওয়া তার সেই শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের গোলরক্ষক কিম সেউং-গিউ। ফলে নিশ্চিত গোলের হাত থেকে রক্ষা পায় কোরিয়া।
১১ মিনিট আগে গোল করে এগিয়ে গেল কোরিয়া
ম্যাচের বাকি আর বাকি ১১ মিনিট। ঠিক এই সময়ে ম্যাচে প্রথমবারের মতো এগিয়ে গেল দক্ষিণ কোরিয়া। বদলি খেলোয়াড় ওহ হিউন গিউ দারুণ ফিনিশে বল জড়ালেন চেকদের জালে। বলটা এল প্রথম গোলের কারিগর হোয়াংয়ের কাছ থেকে। ডান পাশ থেকে তার কাটব্যাকে দারুণভাবে পা ছুঁইয়ে গোলটা করেন হিউন গিউ।
অফসাইডে গোল বাতিল চেকদের
ম্যাচের ৭৮ মিনিটে জয়সূচক গোলটা পেয়েই গেছে মনে করেছিল চেক প্রজাতন্ত্র। ফ্রি কিক থেকে ভেসে আসা বল জালে জড়িয়েছিলেন থমাস সুচেক। তবে সঙ্গে সঙ্গে লাইন্সম্যান পতাকা তুলে দেন। রিপ্লেতে দেখা যায় ফ্রি কিক শুরুর আগে অফসাইডে ছিলেন সুচেক, শেষ পর্যন্ত তার মাথা থেকে বল জড়ায় জালে। গোল বাতিল হয় চেকদের।
আড়াই বছর পর গোল করে কোরিয়াকে ম্যাচে ফেরালেন হোয়াং

সবশেষ গোলটা হোয়াং ইন বেওম করেছিলেন সেই ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে। অবশেষে প্রায় ৩০ মাসের সে খরাটা কাটল তার। সেটাও কি গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে! দল যখন পিছিয়ে আছে এক গোলে, ঠিক তখনই এল সেটা।
লি কাং ইন এই ম্যাচে আলো ছড়াচ্ছেন শুরু থেকেই, তার কাছ থেকেই এল পাসটা। তবে কৃতিত্বটা অবশ্যই বেশি হোয়াংয়ের। বক্সে তিনি গোলরক্ষকের সামনে পড়েন, দারুণভাবে তাকে ধোঁকা দিয়ে বলটা জড়ান জালে।
১-১ গোলে সমতা ফিরিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে কোরিয়া।
ধারার বিপরীতে ক্রেইচির গোল, এগিয়ে গেল চেকরা
বক্সের ডান পাশে থ্রো ইন পেয়েছিল চেক প্রজাতন্ত্র। তবে সেটা লং থ্রো নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ভ্লাদিমির কুফাল। পেছন থেকে এসে উড়ন্ত এক হেডারে বলটা কোরিয়ার জালে জড়ান লাদিস্লাভ ক্রেইচি।ম্যাচের ৫৯ মিনিটে অনেকটা ধারার বিপরীতে গোল পেয়ে যায় চেকরা।
দক্ষিণ কোরিয়া ০-১ চেক প্রজাতন্ত্র
গোলরক্ষকে একা পেয়েও গোল করা হলো না সনের
সন হিউং মিনের রাতটা মোটেও ভালো কাটছে না। একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেই চলেছেন। দ্বিতীয়ার্ধের ১০ম মিনিটে বড় এক সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। লির পাস থেকে বক্সের ভেতর গোলরক্ষককে একা পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি, তবে কোণটা ছিল বেশ দুরূহ। কাজটা আরও কঠিন হয়ে যায় চেক গোলরক্ষক আরও সামনে চলে এলে। শেষমেশ তিনি সনের শট সেভ করেন সহজেই। কর্নার পায় কোরিয়া।
বিরতির পরও দাপট কোরিয়ারই
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হয়েছে গুয়াদালাহারায়, বিরতিতে কোনো দলই একাদশে পরিবর্তন আনেনি। ৪৭ মিনিটে মাঝমাঠে শিক ও কিমের লড়াইয়ে আবারও রক্ষণে দক্ষিণ কোরিয়ার দৃঢ় মানসিকতার প্রমাণ মিলেছে।
৪৮ মিনিটে বাম দিক থেকে কুফালের বিপজ্জনক ইনসুইঙ্গার কর্নার পোস্টের সামনে দিয়ে চলে গেলেও কোরিয়ার এক ডিফেন্ডার সবার আগে বল ক্লিয়ার করে বিপদমুক্ত করেন। ম্যাচে এখনও গোলের দেখা মেলেনি।
গোল এল না প্রথমার্ধে
একের পর এক সুযোগ নষ্টের মহড়ায় নেমেছে যেন দক্ষিণ কোরিয়া। অন্তত ২টি পরিষ্কার সুযোগ নষ্ট করেছে দলটি। শারীরিক ফুটবলের মন্ত্রে নামা চেক প্রজাতন্ত্র অবশ্য সুযোগ পায়ইনি তেমন। তাই প্রথমার্ধ গোলশূন্য ভাবেই কাটল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে।
দক্ষিণ কোরিয়া ০-০ চেক প্রজাতন্ত্র
সনের ২ চেষ্টা লক্ষ্যভ্রষ্ট
নিজেদের বক্সে চেক প্রজাতন্ত্রের ফিজিক্যাল উপস্থিতির কারণে ফরোয়ার্ডরা বিশেষ সুবিধা করতে পারছেন না কোরিয়ার। তাই কৌশলে খানিকটা বদল এনে বক্সের বাইরে থেকে ২ বার শট নিলেন সন হিউং মিন। ৩৭ মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে প্রথম চেষ্টাটা লক্ষ্যভ্রষ্ট হলো, পরের মিনিটে বক্সের একটু বাইরে থেকে নেওয়া শটটার পরিণতি হলো একই। গোলের দেখা পায়নি কোরিয়া।
জার্সি ছিঁড়ে গেল পাভেল শুলৎসের
খেলা শুরুর পরপরই ঘটল অদ্ভুত এক ঘটনা। পাভেল শুলৎসের পায়ে বল ছিল, তাকে বাধা দিতে গিয়ে কোরিয়ার ডিফেন্ডার আলতো টান দিয়েছিলেন তার জার্সিতে, আর তাতে তার জার্সি ছিঁড়ে ছত্রখান। ফলে বিরতি দিতে হলো রেফারিকে, যেন শুলৎস জার্সিটা বদলে আসতে পারেন।
দৃশ্যটা নিশ্চয়ই চেকদের জার্সি স্পনসর পুমার পছন্দ হবে না। আলতো টানেই ছিঁড়ে যাচ্ছে জার্সি, দৃশ্যটা দর্শকদের জন্যই তো বেশ বাজে, নির্মাতাদের জন্য তা আরও বেশি দৃষ্টিকটু না হয়েই পারে না!
শুরুর ‘কোয়ার্টার’ গোলশূন্য
এবারের বিশ্বকাপে দুই অর্ধের বাইরেও দুটো বিরতি থাকবে ‘কুলিং ব্রেকের’ নামে। যার ফলে কার্যত প্রতিটা ম্যাচ বনে যাচ্ছে ৪টি কোয়ার্টারের, ঠিক যেমনটা হকি বা সুপারবোলে দেখা যায়।
সে হিসেবে ম্যাচে প্রথম কোয়ার্টার শেষ। দুই দলের কেউই গোল করতে পারেনি। তবে পজেশন আর আক্রমণের দিক থেকে এগিয়ে আছে কোরিয়াই।
৪০ গজ দূর থেকে লি'র শট, ঠেকালেন চেক গোলরক্ষক
লি কাং-ইন এখন পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে উজ্জ্বল তারকাটির নাম। মিনিট পাঁচেক আগে দারুণ এক লং বলে সুযোগ তৈরি করেছিলেন। তা থেকে গোল আসেনি।
এবার নিজেও শট নিলেন প্রায় ৪০ গজ দূর থেকে। তবে সে শটটা দারুণ রিফ্লেক্স সেভে ঠেকালেন চেক গোলরক্ষক কোভার।
এভাবেও সুযোগ নষ্ট করা যায়!
দারুণ এক সুযোগ এসেছিল কোরিয়ার সামনে। গোলরক্ষককে একা পেয়ে গিয়েছিলেন লি জে-সাং। মাঝমাঠ থেকে তাকে বল বাড়িয়েছিলেন লি কাং-ইন। বাজে ফার্স্ট টাচে সুযোগটা হারালেন জে সাং। ফিরতি সুযোগে সন হিউং-মিনের শট ব্লক করে চেক রক্ষণ।
চেকদের শারীরিক ফুটবলের সামনে ছন্দ খুঁজছে কোরিয়া
ম্যাচের প্রথম ছয় মিনিটে বল দখলে ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। ৬ মিনিটে লি কাং-ইনের দারুণ ক্রসফিল্ড পাস থেকে আক্রমণ গড়লেও চেকিয়ার রক্ষণ তা সামলে দেয়।
শুরুর দিকে দ্রুত লং বল ও শারীরিক ফুটবলে চাপ তৈরি করে চেকিয়া কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কোরিয়া ধীরস্থিরভাবে ফাঁক খুঁজে আক্রমণ সাজানোর চেষ্টা করছে। তবে সনের উদ্দেশে কিম মিন-জায়ের একটি পাস অফসাইডের কারণে ভেস্তে যায়। ৯ মিনিট শেষে ম্যাচ এখনও গোলশূন্য।
