বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তবে কেউ ঋণগ্রস্ত থাকতে পারেন, কিন্তু আদালত কর্তৃক ঋণখেলাপি হিসেবে ঘোষিত নন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বৃহস্পতিবার বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের পয়েন্ট অব অর্ডারে দেওয়া বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সংসদে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইন অনুযায়ী রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডারসহ সংশ্লিষ্ট বিধিমালায় যদি কোনো ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ঋণখেলাপি হিসেবে সাব্যস্ত বা ঘোষিত হন, তাহলে তিনি সংসদ সদস্য পদে অযোগ্য বিবেচিত হন এবং মনোনয়নও পেতে পারেন না।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হয়ে সংসদে আসার অর্থ হলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হয়তো ঋণগ্রস্ত হতে পারেন, কিন্তু তিনি ঋণখেলাপি নন। সুতরাং বর্তমান সংসদকে ঋণখেলাপিদের সংসদ বলা আইনগতভাবে সঠিক নয় এবং এটি মানহানিকর বক্তব্য।
মন্ত্রী জানান, যাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তাদের কারও বিরুদ্ধে ব্যাংক বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মামলা থাকলেও সেগুলো হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে নিষ্পত্তি হয়েছে। আদালতের নিষ্পত্তির পর এবং বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষিত হওয়ার পর তারা আর ঋণখেলাপি থাকেন না এবং নির্বাচিত হয়ে সংসদে এসেছেন।
তিনি বলেন, এ ধরনের বক্তব্য সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী এক্সপাঞ্জ করা উচিত।
অন্যদিকে, নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্বাচনের আগে ও পরেও তিনি ঋণখেলাপিদের বিষয়ে কথা বলেছেন। সংসদে তিনি একাধিক সদস্যের ঋণখেলাপির তথ্য উল্লেখ করেছেন, তবে নাম প্রকাশ করেননি।
তিনি আরও বলেন, যদি সংসদে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ঋণখেলাপি থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের মধ্যে এটিকে ‘ঋণখেলাপিদের সংসদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করার প্রবণতা তৈরি হতে পারে।