
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ন্যাশনাল আর্ট গ্যালারিতে ‘অধিকারের সংগ্রাম’ শিরোনামে আয়োজিত চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর সমাপনী দিন পরিদর্শন করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি। ১৯৫২ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সাত দশকের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের লড়াইকে শিল্পের ভাষায় ফুটিয়ে তোলার এই ব্যতিক্রমী প্রয়াসকে তিনি গভীরভাবে স্বাগত জানান।
প্রদর্শনী পরিদর্শনের পর প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন তরুণ চিত্রশিল্পীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের তরুণদের শিল্পের স্বাদ নিতে দেয়নি। অথচ আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও শিল্পকর্ম ও শিল্পচর্চার গুরুত্বকে মূল্যায়ণ করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের তরুণরা শিল্প ও সংস্কৃতির আলোয় আলোকিত হোক। তাদের এই সুন্দর শিল্পকর্ম আমাদের মনে অদম্য সাহস ও আত্মত্যাগের পরিচয়কে স্মরণ করিয়ে দেয়। চারুকলা হচ্ছে একটি জাতির সভ্যতার আয়না। বাংলাদেশের সেই আয়না যত উজ্জ্বল হবে, এই জাতি তত বেশি নিজেকে চিনতে ও আবিষ্কার করতে পারবে।
বক্তব্যকালে প্রতিমন্ত্রী দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি চর্চায় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার গৌরবময় ইতিহাস স্মরণ করে বলেন, বাংলাদেশে সুস্থ ও প্রগতিশীল শিল্প সংস্কৃতির বিকাশে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশের শিল্প চর্চাকারীদের দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য বিশেষ সম্মাননা ও স্বীকৃতি প্রদান করেছেন, যা আমাদের শিল্পীদের আরও উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করছে।
প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল এই গ্যালারির শিল্পকর্মে শ্রম দেওয়া প্রতিটি তরুণ শিল্পীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও গভীর ভালোবাসা জানান। তিনি প্রদর্শনী প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখার পাশাপাশি ‘অধিকারের সংগ্রাম’ আর্ট এক্সিবিশনের প্রধান সমন্বয়ক ও আয়োজক, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ এবং তরুণ চিত্রশিল্পীদের সাথে দেশের শিল্পচর্চার ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন।







