এর আগে গতকাল বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকায় তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন। সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় অধিক বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতির সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং এ সংক্রান্ত দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা দেন। তিনি কঠিন এই পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ খাদ্য, বস্ত্র ও আশ্রয় দিয়ে সহায়তা করার প্রতি বিশেষ জোর দেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পর পরই বৈরী আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল। তিনি সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় চট্টগ্রাম শহরে পৌঁছান এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা ও হাটহাজারী উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেন। এ সময় স্থানীয় প্রশাসন, দলীয় নেতাকর্মীসহ ত্রাণ গ্রহীতা সর্বস্তরের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রীর ঝটিকা সফর ও ত্রাণ বিতরণের সময়সূচি অনুযায়ী গতকাল রাতে চট্টগ্রামের হাটহাজারী পৌরসভার ৩নং আজিমপুর ওয়ার্ড এলাকায় প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ত্রাণসহায়তা পৌঁছে দেন। এর আগে হাটহাজারী উপজেলার মেখলস্থ ইছাপুর এলাকায় প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। তিনি গতকাল রাতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১নং দক্ষিণ পাহাড়তলীস্থ খিল্লাপাড়া এলাকায় প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে ত্রাণসহায়তা পৌঁছে দেন। চট্টগ্রামের জালালাবাদস্থ বটতল এলাকায় প্রবল বর্ষণে প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেন ও ত্রাণ বিতরণ করেন। ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মহানগরের বায়েজিদ থানার অন্তর্গত বাংলাবাজার ব্যাংক কলোনি পাহাড়ের ফাটলস্থল পরিদর্শন করেন এবং এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সাথে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দ্রুত সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।
পরে তিনি রাঙ্গামাটি তে ছুটে যান।সে খানে ক্ষতিগ্রস্ত দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। রাতে চট্টগ্রাম শহরে ফিরে এসে সার্কিট হাউজে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও প্রশাসনের সাথে বৈঠক করেন।
