দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের গতি বাড়িয়ে ৬৭তম মিনিটে সমতায় ফেরে সুইসরা। দান এনদোয়ের গোলে ম্যাচে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। সমতা ফেরার পর দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। তবে ৭৩তম মিনিটে বড় ধাক্কা খায় সুইজারল্যান্ড। ভিএআরের সহায়তায় সিদ্ধান্ত বদলে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ব্রিল এমবোলো। ফলে শেষভাগে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় তাদের।
একজন বেশি খেলোয়াড় নিয়ে খেললেও নির্ধারিত সময়ে জয়সূচক গোল আদায় করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেন বদলি হিসেবে নামা হুলিয়ান আলভারেজ। ১১২তম মিনিটে হোসে ম্যানুয়েল লোপেজের পাস থেকে দারুণ কার্লিং শটে জাল খুঁজে নেন এই ফরোয়ার্ড। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সমতায় ফেরার চেষ্টা করেও আর সফল হতে পারেনি সুইজারল্যান্ড।
পুরো ম্যাচে লিওনেল মেসি গোল না পেলেও আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং প্রথম গোলের উৎস ছিলেন তার কর্নার থেকেই। মাঝমাঠে ম্যাক অ্যালিস্টার, এনজো ফার্নান্দেজ ও রদ্রিগো ডি পলের নিয়ন্ত্রণ আর্জেন্টিনাকে ম্যাচে এগিয়ে থাকতে সাহায্য করে।
এই জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল আর্জেন্টিনা। শেষ চারে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ইংল্যান্ড, যারা আরেক কোয়ার্টার ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে।
