
সোমবার বিকাল ৪টায় রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন সরকারপ্রধান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর আগমন বার্তা ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে স্টেডিয়াম গ্যালারিতে বসা হাজার হাজার শিশু-কিশোর করতালি দিয়ে তাদের আনন্দ প্রকাশ করে।
সমাপনী দিনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফুটবল ইভেন্টের বালক ও বালিকা বিভাগের দুটি ফাইনাল এবং বালক ও বালিকাদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের দুটি ফাইনাল।
বিকাল ৩টায় বালকদের ফুটবল ফাইনাল খেলাটি হয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের মধ্যে। এতে সিলেট অঞ্চল ২-০ গোলে বিজয়ী হয়েছে।
পরে শুরু হয়েছে বালিকাদের ফুটবল ফাইনাল। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চল।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করে প্রথমে খেলোয়াড়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে গ্যালারির সামনে গিয়ে কিশোর-কিশোরীদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
খেলা শুরুর পর কিছুসময় ভিআইপি গ্যালারিতে বসে পরে মাঠের পাশে এসে খেলা দেখেন প্রধানমন্ত্রী। খেলা দেখার জন্য মাঠে উপস্থিত রয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ খান।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে সারাদেশে তৃণমূল পর্যায়ের ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সি কিশোর-কিশোরীদের সুপ্ত প্রতিভা অন্বেষণ এবং নিয়মিত খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ করতে গত ২ মে থেকে শুরু হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’। ওইদিন সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর আঞ্চলিক পর্বে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের প্রায় এক লাখ ৭০ হাজার ক্ষুদে ক্রীড়াবিদ আটটি ডিসিপ্লিনে ধারাবাহিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এরপর জাতীয় পর্যায়ের খেলাগুলো হয়েছে রাজধানীর বিভিন্ন ভেন্যুতে।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের এবারের আয়োজনে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার এবং মার্শাল আর্টসহ ৮টি ক্রীড়া ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে সেরা প্রতিযোগীরা জাতীয় পর্বে অংশ নিয়েছে।
বিকাল ৫টায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মধ্যে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী।