এসএসসি ও সমমান ২০২৬ সালের পরীক্ষা ফলাফলেও সাফল্যের দিক থেকে ছাত্রদের পেছনে ফেলেছে ছাত্রীরা। শুধু পাসের হার নয়, জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও এগিয়ে রয়েছে নারী পরীক্ষার্থীরা। ছাত্রদের তুলনায় ১ লাখ ৭ হাজার ৯৮২ জন বেশি ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে। একইভাবে, ছাত্রদের চেয়ে ১১ হাজার ৪০১ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ৬ লাখ ৬২ হাজার ৬৬৩ জন ছাত্র এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮১৪ জন। ফলে ছাত্রদের পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
অন্যদিকে, এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৭ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৬ জন ছাত্রী। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লাখ ৩ হাজার ৭৯৬ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৬৭ দশমিক ৯১ শতাংশ।
এসএসসির ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ
অর্থাৎ, পাসের হারে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে। সংখ্যার হিসাবেও ছাত্রদের তুলনায় ১ লাখ ৭ হাজার ৯৮২ জন বেশি ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে।
জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও ছাত্রীদের সাফল্য বেশি। এ বছর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে মোট ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে ছাত্রদের তুলনায় ১১ হাজার ৪০১ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
গত বছরও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ছাত্রদের তুলনায় এগিয়ে ছিল ছাত্রীরা। উত্তীর্ণের সংখ্যা, পাসের হার এবং জিপিএ-৫—তিন সূচকেই নারী পরীক্ষার্থীরা ভালো ফল করেছিল।
দেশের তুলনায় বিদেশের কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষায় সাফল্যের হার বেশি
এদিকে, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দেখা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবার সামগ্রিক ফলাফলে অবনতি হয়েছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাও কমেছে। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫; দুই সূচকেই কমেছে ফলাফল।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন
ফলাফলে সংক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা আগামী ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের (চ্যালেঞ্জ) আবেদন করতে পারবে। এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানা যাবে।
উল্লেখ্য, কোনো শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা পত্রিকা অফিসে সরাসরি এসে ফলাফল পাওয়া যাবে না।