
চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় দুটি জাহাজের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) বিকালে এ তথ্য জানিয়েছেন বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
উদ্ধার কাজে নিয়োজিত রয়েছে বন্দরের টাগবোট, নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ড।
বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, দুপুর ১২ টায় ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল (Gas Oil) বহনকারী তেলবাহী ট্যাংকার এমটি সি স্পাইক (IMO: 9629952) নোঙ্গর করে থাকা বাল্ক ক্যারিয়ার এমভি সান শাইন (IMO: 9405435)-এর সাথে সংঘর্ষ হয়। তীব্র স্রোত এর কারণে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা সম্ভব হয়নি বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। তদন্ত স্বাপেক্ষে বিস্তারিত জানা যাবে।
তিনি জানান, জাহাজের সবকটি কার্গো ট্যাংক সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে। কার্গো ট্যাংকে কোনো পানি প্রবেশ করেনি এবং কোনো প্রকার তেল নিঃসরণের ঘটনা ঘটেনি।
এমটি সি স্পাইক-এর ইঞ্জিন রুমে পোর্ট কোয়ার্টারে আনুমানিক ১ বর্গমিটার ফাটল দিয়ে পানি প্রবেশ করায় সাময়িক ব্ল্যাকআউট বা বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটেছে। তবে ইমারজেন্সি ব্যাটারির সাহায্যে জাহাজের ভিএইচএফ যোগাযোগ ব্যবস্থা সক্রিয় রাখা হয়েছে। জাহাজটি স্থিতিশীল রাখতে দুটি নোঙ্গরের ১০ শ্যাকেল করে ক্যাবল ছাড়া হয়েছে। জোয়ার-ভাটার হিসাব অনুযায়ী, ভাটার সময়েও জাহাজটি নিরাপদে ভেসে থাকবে।
ঘটনার পর পরই চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ড দ্রুততম সময়ে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়।চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের টাগবোট ‘কান্ডারী-৮’ ইতোমধ্যে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দ্রুততম সময়ে জ্বালানি তেল খালাসের জন্য শিপিং এজেন্ট (প্রাইড শিপিং) এবং ফাটল মেরামত ও উদ্ধারের জন্য স্যালভেজ কোম্পানিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাহাজের মাস্টারের সাথে সার্বক্ষণিক ভিএইচএফ যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে।পরিস্থিতি সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বিস্তারিত তথ্য প্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তীতে জানানো হবে।উল্লেখ্য বন্দর চ্যানেলে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।







