
পশ্চিম মাদারবাড়ি মহল্লা কমিটি ও যুব কমিটির উদ্যোগে মাদক বিরোধী জনসচেতনামূলক প্রচারণা আজ ২৯ আগষ্ট রবিবার পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্বে করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি আহাবায়ক কমিটির সদস্য , সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার জয়নাল আবেদীন জিয়া , সদর ঘাট থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজ্বী মোঃ সালাহ উদ্দীন । উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম মাদারবাড়ী মহল্লা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ এয়াকুব সওদাগর, সাধারণ সম্পাদক হাজ্বী মোঃ সালাহ উদ্দিন, সভাপরিচালনা করেন পশ্চিম মাদারবাড়ী মহল্লা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নাছির উদ্দীন পশ্চিম মাদারবাড়ী আদশ সমাজ সভাপতি, মোঃ জমির উল্লহ খাঁন টং ফকির শাহ সমাজ উন্নয়ন পরিষদ সহ সভাপতি, জনাব, মোঃ আকবর সওঃ ,বারো কোয়াটার মহল্লা কমিটি সভাপতি, জনাব, মোঃ আব্দুল বাতেন, ডি.টি.রোড সমাজ উন্নয়ন পরিষদ সভাপতি, মোঃ শাহ জাহান, ১নং গলি সামাজিক উন্নয়ন পরিষদ সভাপতি মোঃ দেলোয়ার, বণিল যুব সংগঠন সভাপতি, মোঃ রিয়াদ আরো বক্তব্য রাখেন পশ্চিম মাদার বাড়ী মহল্লার কমিটি যুব কমিটির আহবায়ক মোঃ মুজিবুর রহমান রানা। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম মাদার বাড়ী মহল্লা কমিটির যুগগ্ম সম্পাদক মোঃ জাহেদুল ইসলাম। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাহাবুব আলী, সিনিয়র সদস্য কে, এম, মামুন রাজা, মোগলটুলি বারো কোয়াটার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি, হাজ্বী মোঃ আলী মেম্বার, যুবকমিটির সদস্য সচিব মোঃ ইয়াছির আরাফাত যুগা আহাবায়ক মোঃ তানভীর উদ্দিন, যুগা সদস্য সচিব মোঃ আশরাফ উল আলম রাজিব। যুগা আহবায়ক মুশলিম উদ্দীন রাহাত, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ জাভেদ রহিম, যুগগ্ম আহবায়ক মোঃ হারুনুর রশিদ মাসুদ, যুগ্ম আহবায়ক আবদুল মোনাফ টুটুল, বিভিন্ন সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তরা বলেন,মাদক একটি পরিবার, সমাজ তথা পুরো রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেয়। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করা জরুরি।
বক্তরা বলেন যে হারে মাদক বিক্রি বেড়েছে তা নির্মূল করতে হলে প্রতিটি পাড়া মহল্লায় মাদক বিরোধী কমিটি করতে হবে।মাদক সমস্যা তথা মাদক দ্রব্যের অবাধ ব্যবহার ও অবৈধ পাচার একটি জটিল, বহুমাত্রিক ও আন্তর্জাতিক সমস্যা। মাদকদ্রব্যের ব্যবহার ও চোরাচালান সমস্যা দেশ-কাল, ধর্ম-বর্ণ, সমাজ নির্বিশেষে আজ সারা বিশ্বকে গ্রাস করছে। ধনী-দরিদ্র, উন্নত-উন্নয়নশীল কোনো দেশই মাদক সন্ত্রাস থেকে মুক্ত নয়।
বক্তরা মানুষের বিবেক ও মূল্যবোধের জাগরণ, সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ এবং ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন। এর জন্য প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যে সচেতনতা জাগাতে হবে। প্রতিটি পরিবারপ্রধানকে সতর্ক ও সক্রিয় হতে হবে। পারিবারিক অনুশাসন, নৈতিক মূল্যবোধ ও সুস্থ ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাতে হবে বলে উল্লেখ করেন।