,

বিএনপি মানেই গণতন্ত্র, বিএনপি মানেই জনগণের পাশে থাকা

বিএনপি মানেই গণতন্ত্র, বিএনপি মানেই জনগণের পাশে থাকা
বিএনপি মানেই গণতন্ত্র, বিএনপি মানেই জনগণের পাশে থাকা

একদলীয় ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে জিয়া উররহমান ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)প্রতিষ্টা করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, গণতন্ত্র মানে শুধু নির্বাচন নয়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং বিরোধী কণ্ঠের অস্তিত্ব নিশ্চিত করাও গণতন্ত্রের অংশ। এই কারণে তার আমলে সংবাদপত্রের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল হয়, রাজনৈতিক পরিসর তুলনামূলকভাবে উন্মুক্ত হয়।জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন দর্শনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল গ্রাম। ‘কাজের বিনিময়ে খাদ্য’ কর্মসূচি, খাল খনন, সেচ প্রকল্প, গ্রাম সরকার ব্যবস্থা- সবকিছুর লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা। তিনি আত্মনির্ভরতার কথা বলতেন, উৎপাদনের রাজনীতির কথা বলতেন। তার বিখ্যাত আহ্বান, আরও বেশি উৎপাদন, আরও বেশি কাজ—যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশের জন্য বাস্তববাদী দিকনির্দেশনা ছিল। কৃষি ও শিল্প উভয় ক্ষেত্রেই প্রবৃদ্ধির চেষ্টা চালানো হয়, বেসরকারি খাতকে উৎসাহ দেওয়া হয়।গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর বাবা জিয়াউররহমানের পথদেখানো রাস্তা দিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতে শুরু করেছে। জিয়াউর রহমানের অ- সমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে শুরু থেকেই দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।বিএনপি মানেই গণতন্ত্র, বিএনপি মানেই জনগণের পাশে থাকা এটায় ধারণ করছে এবং মনে প্রণে বিশ্বাস জনগণের।

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশ বিনির্মাণে দুর্বার গতিতে কার্যক্রম শুরু করেছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম সফল রাষ্ট্রনায়ক প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর সেই যাত্রা শুরু হয় এ দেশের মানুষের মুক্তির সনদ ১৯ দফা ঘোষণার মধ্য দিয়ে। আরও একবার যখন রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার নিশ্চিত করে ফ্যাসিবাদী শাসনতন্ত্র থেকে এ দেশের মানুষকে মুক্ত করার লড়াই অনিবার্য; ঠিক তখন বাবার পদাঙ্ক অনুসরণে ৩১ দফায় গণমুক্তির বার্তা দিলেন তাঁরই সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এই দেশে যদি ৩১ দফা বাস্তবায়িত হয় তাহলে কারও কোনো সমস্যা থাকবে না। বিনা সুদে কৃষিঋণ সুবিধাসহ নারীদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।বাংলাদেশের জনগণ গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে রাষ্ট্র গড়ে তুলেছিল, সেই রাষ্ট্রের মালিকানা ১৭ বছর পর বিএনপির হাতে এসেছে।

সতের বছর কর্তৃত্ববাদী আওয়ামীলীগ বাংলাদেশ রাষ্ট্র কাঠামোকে ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। এই রাষ্ট্র মেরামত ও পুনর্গঠন করতে হবে এখন বিএনপিকে।দীর্ঘ ১৭ বছর অন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে দেশের জনগণের হাতেই দেশের মালিকানা ফিরে এসেছে। এ লক্ষ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে জয়লাভের পর বিএনপি আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে একটি ‘জনকল্যাণমূলক জাতীয় ঐকমত্যের সরকার’ প্রতিষ্ঠা করেছে।গত ১৭ বছরের অধিককালব্যাপী পালাতক আওয়ামী লীগ ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখে নিজেদের হীন উদ্দেশ্যে অনেক অযৌক্তিক মৌলিক সাংবিধানিক সংশোধনী আনে। বর্তমান বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর একটি ‘সংবিধান সংস্কার কমিশন’ গঠন করা হয়।‘সংবিধান সংস্কার কমিশন’ বিতর্কিত ও অগণতান্ত্রিক সাংবিধানিক সংশোধনী ও পরিবর্তন পর্যালোচনা করে রহিত/সংশোধন করার কাজ শুরু করেছে ।
একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয় তার শিক্ষাব্যবস্থার মানের ওপর। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি তাঁর জন্মলগ্ন থেকেই এই সত্যকে রাজনৈতিক দর্শনের কেন্দ্রে রেখেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচি থেকে শুরু করে ভিশন ২০৩০, রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচি এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ শে – প্রতিটি ধাপে শিক্ষা বিষয়টি ক্রমশ গভীরতর, বিস্তৃততর এবং সময়োপযোগী রূপ নিয়েছে। আজ যখন বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায়, তখন এই ধারাবাহিকতা পর্যালোচনা করা কেবল রাজনৈতিক কর্মীর দায়িত্ব নয়, বরং নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, দাতা সংস্থা ও উন্নয়ন-অংশীজনদের জন্যও প্রাসঙ্গিক এক অনুসন্ধান।

’৭৫-এর মধ্য-আগস্ট থেকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ অবধি নানা ঘটনা-দুর্ঘটনার মধ্য দিয়ে অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থানের একপর্যায়ে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ভোরে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি দশা থেকে মুক্ত হন এবং নতুন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের অধীনে উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত হন। বস্তুত সেনাপ্রধান ও এক নম্বর উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসকরূপে দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তি হন। জেনারেল জিয়া তখন থেকেই কার্যত রাষ্ট্রের প্রধান নীতিনির্ধারকে পরিণত হয়েছিলেন।
জিয়াউর রহমান বাধ্য হয়েই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শের রাজনীতি প্রবর্তন করেন। এর আগে ১৯৭৬ ও ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান সুদীর্ঘ সময়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের কর্মকান্ডে প্রকৃত গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে দেশব্যাপী একটা কর্মমুখী রাজনীতি চালুর তৎপরতার প্রক্রিয়ায় ব্যাপক আলোচনা বৈঠক চালান। সেসব বৈঠকে দেশের মূল সমস্যাগুলোর অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করা হয়। তাঁর সঙ্গে তখনকার ন্যাপ (ভাসানী), বাংলাদেশ জাতীয় লীগ, ইউনাইটেড পিপলস পার্টি, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, জাতীয় দল, জাতীয় গণমুক্তি ইউনিয়ন, জাতীয় জনতা পার্টি (কোরেশী গ্রুপ), গণআজাদী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী ভাবাদর্শের বুদ্ধিজীবীরা অবিরাম বৈঠক করেছেন, চমৎকার মুক্ত আলোচনার সেসব সভায় দেশের নতুন রাজনীতির একটা সংগঠিত রূপদানের পক্ষে বক্তব্য প্রাধান্য পেয়েছে।
জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ১৯ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন ঘোষণাপত্রে দেশের গণমানুষের ইস্পাতকঠিন গণঐক্যের ওপরে গুরুত্বারোপ করে বলা হয়েছিল‘সুদৃঢ় এবং অভেদ্য জাতীয় ঐক্যবোধ এবং জাতীয় অর্থনৈতিক স্বয়ংসম্পূর্ণতা না থাকলে সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ ও নয়া-উপনিবেশবাদের গ্রাস থেকে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষা করা দুঃসাধ্য।’ এ ঘোষণাপত্রের মধ্যে ৩১টি দফায় রয়েছে‘ঐক্যবদ্ধ অগ্রগতির অমোঘ দাবি : উৎপাদনের রাজনীতি এবং জনগণের গণতন্ত্র’, ‘জাতীয়তাবাদভিত্তিক ইস্পাতকঠিন গণঐক্য’, ‘সার্বভৌমত্ব, সামাজিক ন্যায়বিচার ও দ্রুত উন্নয়নের মাধ্যম : স্থিতিশীল গণতন্ত্র’, ‘বিলুপ্ত মানবিক মূল্যবোধের পুনরুজ্জীবন’, ‘স্থিতিশীল গণতন্ত্রের রূপরেখা, প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির সরকার, নির্বাচিত ও সার্বভৌম আইন পরিষদের মাধ্যমে সজীব ও সক্রিয় গণঅংশীদারি কায়েম’, ‘স্থানীয় এলাকা সরকার ও বিকেন্দ্রীভূত রাজনৈতিক ক্ষমতা’, ‘সামাজিক ন্যায়বিচারের অর্থনীতি’, ‘জাতিগঠন, সমাজসেবা ও উপার্জনমুখী কার্যক্রমে যুবশক্তির সদ্ব্যবহার’, ‘জাতীয় পররাষ্ট্রনীতির উপাদান ও লক্ষ্য : স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, সমৃদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক প্রীতি ও সখ্য’ ইত্যাদি। এ ঘোষণাপত্রের মধ্যে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সার্বিক বিষয়াবলি স্থান পেয়েছে। বিএনপিকে প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান একটি শক্তিশালী জাতীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা দিয়ে গেছেন তার শুরুতেই। তাই তো এত আঘাতের পর আঘাতেও বিএনপি টিকে আছে দেশের নেতৃস্থানীয় রাজনৈতিক দল হিসেবে।
১৯৭৭ সালে শহীদ জিয়াউর রহমান দেশের আর্থ-সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে যে ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন, তার মধ্যে শিক্ষা ছিল একটি মৌলিক স্তম্ভ। নবম দফায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল, দেশকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে হবে। এটি ছিল স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে এক সাহসী অঙ্গীকার, কারণ তখন দেশের সিংহভাগ মানুষ ছিল শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। একাদশ দফায় নারীর যথাযোগ্য মর্যাদা প্রতিষ্ঠা ও যুবসমাজকে জাতি গঠনে সুসংহত করার কথা বলা হয়, যা পরোক্ষভাবে নারীশিক্ষা ও যুব-উন্নয়নের ভিত্তি রচনা করে। চতুর্থ দফায় প্রশাসন, উন্নয়ন কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা এবং সপ্তদশ দফায় প্রশাসন ও উন্নয়ন ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণের কথা বলা হয় – যা পরবর্তীতে শিক্ষার বিকেন্দ্রীকরণ ও তৃণমূলে শিক্ষা-সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার নীতির পূর্বসূরি হিসেবে বিবেচনা করা যায়। এই ১৯ দফা ছিল মূলত একটি দিকনির্দেশনা – একটি জাতিকে স্বনির্ভর, ন্যায়ভিত্তিক ও মর্যাদাসম্পন্ন করে তোলার সামগ্রিক কাঠামো, যেখানে শিক্ষা ছিল আত্মনির্ভরশীলতার প্রধান হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত।
২০২৩ সালে রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে ঘোষিত ৩১ দফা দলিলে বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক অবস্থান আরও পরিশীলিত হয়। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য তৈরি করা হয় – নিম্ন ও মধ্য পর্যায়ে চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা এবং উচ্চ শিক্ষায় জ্ঞান-ভিত্তিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়। এই দ্বিস্তরীয় দৃষ্টিভঙ্গি শিক্ষানীতির একটি পরিণত বিকাশ নির্দেশ করে; নিচের স্তরে বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা এবং উপরের স্তরে গবেষণা ও জ্ঞান-সৃজনের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।
মাধ্যমিক পর্যায়ে দুটি প্রতিশ্রুতি লক্ষণীয়। প্রথমত, মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি বাধ্যতামূলক কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা, যাতে এসএসসি বা সমমান স্তরেই একজন শিক্ষার্থী কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষতা অর্জন করতে পারে – এমনকি পরিবার সামর্থ্যের অভাবে উচ্চশিক্ষায় না গেলেও। দ্বিতীয়ত, আরবি, জাপানি, কোরিয়ান, ইতালিয়ান, ম্যান্ডারিনসহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষা মাধ্যমিক স্তর থেকেই বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব, যা দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের পথ প্রশস্ত করার লক্ষ্যে নেওয়া। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্তকরণ, শিক্ষকদের আর্থ-সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি এবং একটি ‘শিক্ষা সংস্কার কমিশন’ গঠনের অঙ্গীকারও এসেছে।

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে কিছু নাম আছে, যেগুলো শুধু একটি সময়ের প্রতিনিধিত্ব করে না, বরং একটি রূপান্তরের প্রতীক হয়ে অমর হয়ে থাকে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তেমনই এক নাম। তিনি ছিলেন একাধারে মুক্তিযোদ্ধা, সেনানায়ক, রাষ্ট্রপ্রধান ও রাজনৈতিক দল গঠনের মাধ্যমে নতুন এক রাজনৈতিক ধারার প্রবর্তক করেন। তিনি সংঘাত, সাহস ও সংকটের ভেতর দিয়ে এগিয়ে গেছেন। যার প্রভাব আজও বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তা ও রাজনীতিতে গভীরভাবে অনুভূত হয়।একইভাবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম থেকে যে ভাবে দেশ,দল ও জনগণের জন্য কাজ করতে শুরু করেছে তার নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও দেশ এবং দেশের জনগণ।

হাসান মুকুল
সাংবাদিক ও লেখক