চট্টগ্রাম ১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেছেন, “বাংলার মাটিতে স্বৈরাচার ও পতিত গোষ্ঠী আওয়ামী লীগের আর কোনো ঠাঁই হবে না। দেশের জনগণ আর কখনো কোনো ফ্যাসিস্টকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না।”
তিনি বলেন, “জনগণের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিএনপি সংসদে সরকার গঠন করেছে। তাই বিএনপির বর্তমান লড়াই হচ্ছে সাধারণ মানুষের সেবা নিশ্চিত করা এবং তাদের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।”
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল ৩টায় নগরীর হালিশহর নয়াবাজার মোড়ে চট্টগ্রাম ১০ আসন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘আওয়ামী নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সাঈদ আল নোমান বলেন, “আমাদের নেতা দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে আরও সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তাঁর হাতকে শক্তিশালী করে শুধু নিজেদের জন্য নয়, সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রমিক ও নারীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করতে হবে।”
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ একটি ফ্যাসিবাদী দল। দেশের মানুষের মনে তাদের বিন্দুমাত্র জায়গা নেই। তাদের অতীতের সকল অপকর্ম ও কর্মকাণ্ডকে জনগণ চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। বর্তমান কর্মকাণ্ডও মানুষ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।”
সাঈদ আল নোমান আরও বলেন, “আমাদের সাধ্যমতো সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। রাজনীতি মানেই মানুষের সেবা, রাজনীতি মানেই ইবাদত। সেভাবেই রাজনীতি করতে হবে, যেন মানুষ মনে করে—আমরা স্বস্তিতে আছি।”
তিনি বলেন, “দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক। এই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং সামাজিক ভূমিকা রাখতে হবে।মানুষের সেবা করার সুযোগ সবসময় আসে না। তাই এই সময়কে কাজে লাগিয়ে সবাইকে মানবিক কাজ ও জনকল্যাণে নেমে পড়তে হবে। আমিও তাই করে যাচ্ছি।”
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ আজম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য মোশাররফ হোসেন ডিপ্টির সঞ্চালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী বেলাল উদ্দিন, শাহ আলম, আহমদুল আলম রাসেল, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এস কে খোদা তোতন, সদস্য আবুল হাশেম, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, বিভাগীয় শ্রমিক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক শেখ নুরুল্লাহ বাহার, পাহাড়তলী থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী বাবুল হক, সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জিয়া, হালিশহর থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, ৪২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক শায়েস্তা উল্লাহ চৌধুরী, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মনসুর, নগর বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলিম স্বপন, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তোফাজ্জল হোসেন, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জমির উদ্দিন নাহিদ, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্যসচিব মোহাম্মদ ফারুক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আরজু, ২৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি শরীফুল ইসলাম, বর্তমান কমিটির আহ্বায়ক মো. আফসার, সদস্যসচিব আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলী হায়দার, ২৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এস এম ফরিদুল আলম, রেজাউল করিম মিন্টু, ১৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দাদন দড়ি সুরুজ, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম আজাদ, নগর যুবদলের সহ-সভাপতি আব্দুল গফুর বাবুল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ রাসেল, নগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুর রহমান মিঠু, শহিদুল ইসলাম সুমন, সদস্য কামরুল হাসান আকাশ, নগর মহিলা দলের জেসমিন খানম, শামসুন নাহার প্রেমা, খালেদা বোরহান, অ্যাডভোকেট কাজী সিরাজ, মোহাম্মদ দিদার, মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম রানা সহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।সমাবেশ শেষে বিশাল মিছিল সহকারে সাগরিকা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।