সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) । সরকার ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে "জিরো টলারেন্স" নীতি বাস্তবায়নে গুইমারা সেক্টরের অধীনস্থ যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়ন, খেদাছড়া ব্যাটালিয়ন এবং রামগড় ব্যাটালিয়ন সীমান্ত এলাকায় ধারাবাহিকভাবে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানে গুইমারা সেক্টরের অধীনস্থ তিনটি ব্যাটালিয়ন ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি হতে ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিপুল পরিমাণে মাদকদ্রব্য জব্দ করে। যার আনুমানিক বাজার মুল্য প্রায় তিন কোটি টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি সুত্র।
সকালে গুইমারা সেক্টরের অধিনস্থ তিনটি ব্যাটালিয়ানের জব্দকৃ বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি)'র বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে ধ্বংস করা হয়।
এসব মাদকদ্রব্য ধংস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সাউথইস্ট রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোহেল আহমেদ, পিবিজিএম, বিজিওএম, পিএসসি, বলেন, মাদক শব্দটি ছোট হলেও অত্যন্ত ভয়ানক। বিজিবি সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় যেমন বর্হিশত্রু মোকাবেলা করে তেমনি অভ্যন্তরীন শত্রুও মোকাবেলা করতে হয়। মাদক হচ্ছে বিজিবির কাছে অভ্যন্তরীন শত্রু। তিনি বলেন মাদক ব্যক্তিকে ধংস করার পাশাপাশি একটি সমাজ,জাতি ও রাস্ট্রকে ধংস করে দেয়। একটি জাতিকে ধংস করতে হলে অস্ত্র গোলাবারুদের প্রয়োজন নেই, মাদকই যথেষ্ট। তিনি যার যার অবস্থান থেকে মাদককে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ করার আহবান জনান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুইমারা সেক্টর কমান্ডার, কর্নেল মোঃ মিজানুর রহমান, পিএসসি, জি, রামগড় ৪৩ বিজিবির জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আহসান উল ইসলাম, বিজিওএম, পিএসসি, খেদাছড়া ব্যাটালিয়ন জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মদ শাহীনুল ইসলাম, পিএসসি, মেজর মোঃ মঈনুল আলম, ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক, যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়ন ।
এ সময় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী পরিচালক, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ওসি রামগড় থানাসহ স্থানীয় স্কুল কলেজ ও মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়নের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সকল স্তরের বিজিবি সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।