ভারতের আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এ পরিস্থিতিতে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় জেলাগুলো এবং ওড়িশার দক্ষিণাঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় অন্ধ্রপ্রদেশে প্রায় ৫ লাখ ৭০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে মাছ ধরার নৌকাগুলোকে উপকূলে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।
ঝড়ের আশঙ্কায় মঙ্গলবার ও বুধবার ওড়িশার পাঁচটি জেলার স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। নিচু ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতিও চলছে। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে দুই রাজ্যেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। ২৭ থেকে ৩০ অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। এ সময় উপকূলীয় এলাকায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫৫ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।
