শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভোরে দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করে। নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ। কয়েক দশকের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতির অন্যতম ঘটনা। মোট ৫৭ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৫ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
চূড়ান্ত ফল অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি পেয়েছে ২৭টি আসন। ইয়াশার পার্টি ২১টি, বি'ইয়াচাদ ১২টি, জয়েন্ট লিস্ট ১১টি, দ্য ডেমোক্র্যাটস ৮টি এবং রা’আম ৮টি আসন পেয়েছে।
এ ছাড়া ইসরায়েল বেইতেনু ৭টি, ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম ৭টি, ওতজমা ইয়েহুদিত ৭টি, শাস ৬টি এবং রিলিজিয়াস জায়োনিজম ৬টি আসন পেয়েছে।
নির্বাচনে কয়েকটি দল নির্ধারিত নির্বাচনী সীমা অতিক্রম করতে পারেনি। ইয়োয়াজ হেন্ডেলের রিজার্ভিস্টস-ইকোনমিক পার্টি ২ দশমিক ৬৩ শতাংশ ভোট পেলেও নির্বাচনী সীমা ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ হওয়ায় কোনো আসন পায়নি। ওফের উইন্টারের পিপল অব ইসরায়েল পার্টি পেয়েছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট। আর দ্য চ্যারেডি পাবলিক পার্টির ভোটের হার মাত্র শূন্য দশমিক ২ শতাংশ।
নির্বাচনের ফলাফলে নেতানিয়াহুর জোটের আসনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বিদায়ী নেসেটে সরকারপন্থি দলগুলোর আসন ছিল ৬৮টি। নতুন নির্বাচনে তা কমে ৫৩টিতে দাঁড়িয়েছে। ফলে এককভাবে সরকার গঠনের মতো অবস্থানে নেই নেতানিয়াহুর সমর্থক দলগুলো।
কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, অভিযোগ ও ফলসংক্রান্ত চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই শেষে আগামী বুধবার আনুষ্ঠানিক ফল প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এরপর প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। নতুন সরকার গঠনের জন্য কোন নেতাকে সমর্থন দেওয়া হবে, সে বিষয়ে দলগুলোর সুপারিশ শুনবেন তিনি। সেই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই নির্ধারিত হবে ইসরায়েলের পরবর্তী সরকার গঠনের পথ।
