
পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক-১ নুরজাহান খানম।
সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি সচিবালয়ের বর্জ্য নিষ্কাশন ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা, মন্ত্রিপরিষদ ভবনের পার্কিং স্টেশন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বর ঘুরে দেখেন।
নুরজাহান খানম বলেন, পরিচ্ছন্নতা কেবল কোনো নির্দিষ্ট দপ্তর বা সংস্থার একক দায়িত্ব নয়; বরং এটি সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখতে নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।
পরিদর্শনকালে তিনি আরও বলেন, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত প্রয়োজন। বিশেষ করে সচিবালয়ের মতো প্রশাসনিক কেন্দ্র এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মতো জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কোথাও যেন ময়লা-আবর্জনা জমে না থাকে এবং পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সচেতন থাকতে হবে।
মহাপরিচালক বলেন, পরিচ্ছন্নতাকে এক দিনের কর্মসূচি হিসেবে বিবেচনা করলে চলবে না। প্রতিদিনের কাজের অংশ হিসেবেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধ, নির্ধারিত স্থানে ময়লা রাখা এবং নিয়মিত নালা পরিষ্কারের মাধ্যমে পরিবেশদূষণ ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও সচেতন ভূমিকা প্রয়োজন।
সচিবালয়ের বর্জ্য নিষ্কাশন ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা পরিদর্শনের সময় তিনি পানির স্বাভাবিক প্রবাহ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন। মন্ত্রিপরিষদ ভবনের পার্কিং স্টেশনে গিয়ে সেখানকার পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতার অবস্থা দেখেন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরের পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতিও পর্যালোচনা করেন।







