আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোকে বুঝতে হবে যে দেশের মানুষের ভাবনা ও প্রত্যাশা পাল্টে গেছে। যারা এ পরিবর্তন উপলব্ধি করতে পারবে না, তাদের ভবিষ্যৎ নেই। রাজনীতি ও অর্থনীতিতে সবাইকে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে হবে। এ জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা জরুরি।’
তরুণ প্রজন্মের ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘শুধু পুঁথিগত বিদ্যায় সীমাবদ্ধ না থেকে যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জন করতে হবে। দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে সম্পদে রূপান্তর করার জন্য একটি সমন্বিত পরিকল্পনার প্রয়োজন। আমাদের সবাইকে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে—এ ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। শ্রমের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একজন দক্ষ প্লাম্বার বা ইলেকট্রিশিয়ান অনেক সময় ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারের চেয়েও বেশি আয় করতে পারেন।’
তিনি বলেন, ‘শিক্ষাকে শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। গান, বাজনা, নাটক, ছবি আঁকার মতো কর্মকাণ্ড মনোজগৎকে সমৃদ্ধ করে এবং একজন মানুষকে পূর্ণাঙ্গ করে তোলে।’
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘দেশের ছেলেমেয়েরা বিশ্বের অন্যতম মেধাবী। তাদের শুধু আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলতে হবে এবং সঠিক সুযোগ দিতে হবে। তরুণ প্রজন্মই মেধা, দক্ষতা ও দেশপ্রেম দিয়ে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।’