চট্টগ্রাম উন্নয়নমূলক কাজে পিতা আব্দুল্লাহ আল নোমানের অবদানের কথা কেউ ভুলতে পারবেনা

চট্টগ্রাম উন্নয়নমূলক কাজে পিতা আব্দুল্লাহ আল নোমানের অবদানের কথা কেউ ভুলতে পারবেনা

চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আল নোমান বলেছেন,আমার পিতা আব্দুল্লাহ আল নোমান শুধু গণমানুষের নেতা ছিলেন না, নীরবে চট্টগ্রামকে বানিজ্যিক রাজধানী সহ উন্নয়নমূলক কাজ করে গেছেন তার অবদানের কথা কেউ ভুলতে পারবেনা। তিনি কর্ণফুলী তৃতীয় সেতু নির্মাণ, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড প্রতিষ্ঠা, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে চার শহীদের স্মরণে কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।তিনি আরো বলেন, ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়-যা একটি মুরগির খামার থেকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নেয়ার জন্য কাজ করেছেন। এ ছাড়া স্টেডিয়াম উন্নয়ন, জমিয়াতুল ফালাহ ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণে কাজের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।আমি আমার পিতার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে সকলের দোয়া কামনা করেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে নগরের একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সাঈদ আল নোমান বলেন, জেনারেল হাসপাতালের সক্ষমতা বর্তমানে খুবই সীমিত। এটিকে আধুনিক ও কার্যকর করে তোলার পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজে রূপান্তরের প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম-১০ আসনের পাহাড়তলী, খুলশী ও হালিশহর এলাকায় সরকারি হাসপাতালের ঘাটতি প্রকট।
তিনি বলেন, হালিশহর ও পাহাড়তলী এলাকায় বৃহৎ পরিসরে সরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার আহ্বান জানান।তাঁর মতে, এতে শুধু একটি এলাকা নয়, পুরো চট্টগ্রামের মানুষ উপকৃত হবে।এখানের মানুষ গুলো যেন চট্টগ্রাম মেডিকেলে এবং জেনারেল হাসপাতালে আসতে না হয়।
সাঈদ আল নোমান আরো বলেন, রাজনীতি শুধু নেতৃত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের জন্য কী উপকারী, কোন উন্নয়ন দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে-তা ভেবে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করাই সংসদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। নিজের জীবন, পরিবার, চিন্তা-ভাবনা এবং সম্পদের বড় একটি অংশ ব্যয় করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। এটিকে নিজের সেবামূলক জীবনের প্রথম ও প্রধান কাজ হিসেবে দেখি।
চট্টগ্রামে টেকসই উন্নয়ন ও জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

খুলশীতে কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থাকলেও হালিশহর ও পাহাড়তলীতে কোনো সরকারি হাসপাতাল নেই।তিনি আরও বলেন, দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষ উন্নত বেসরকারি শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারে না। ফলে চিকিৎসাসেবাকে অবশ্যই রাষ্ট্রীয়ভাবে বিবেচনা করতে হবে। বড় পরিসরে সরকারি উদ্যোগ ছাড়া এই খাতে টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।এখন সময় এসেছে, নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় কার্যকর অবদান রাখার যোগ্যতা ও সম্ভাবনা নিয়ে ভাবার’।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিমের সভাপতিত্বে ও নগর বিএনপির সদস্য কামরুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এম নাজিম উদ্দিন, নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, এম এ সবুর, নগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন,এস কে খোদা তোতন, শাহ আলম, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল,সদস্য আবুল হাসেম, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মোশারফ হোসেন ডিপ্তী,আশরাফ চৌধুরী,
মনোয়ারা বেগম মনি,সাইফুল আলম, শরিফুল ইসলাম তুহিন,আঁখি সুলতানা,শেখ রাসেল, শহিদুল ইসলাম,আরিফুর রহমান মিঠু,কামরুল হাসান আকাশ প্রমুখ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on email