নাংগলমোড়া ইউনিয়নে টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

নাংগলমোড়া ইউনিয়নে টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

স্বল্প আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি’র বিশেষ ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার নাংগলমোড়া ইউনিয়নে টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন সালাউদ্দীন আলী। তিনি বলেন, দেশের নিম্নআয়ের ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বাস্তবমুখী নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার মাধ্যমে নির্ধারিত উপকারভোগীরা সুলভ মূল্যে চাল, ডাল, তেল, চিনি সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহের সুযোগ পাবেন। এতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রভাব অনেকাংশে কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, এই কার্যক্রম শুধু পণ্য সরবরাহেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি একটি ডিজিটাল ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার অংশ। টিসিবি স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে অনিয়ম ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য হ্রাস পাবে এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সেবা পৌঁছানো সহজ হবে, ফলে একটি জবাবদিহিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত হবে।

অনুষ্ঠানে নাংগলমোড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ সভাপতিত্বে অন্যানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, ইউপি সদস্য মোঃ সেলিম উদ্দিন, মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, মহিলা প্যানেল চেয়ারম্যান ফাতেমা বেগম, ইউপি সদস্যা নিলুফার ইয়াসমিন, সচিব মোঃ জাহেদুল হোসেনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গসহ বিপুল সংখ্যক সুবিধাভোগী উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে নাংগলমোড়া ইউনিয়নের সুবিধাভোগী পরিবারের সদস্যদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়। কার্ডপ্রাপ্তরা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, এই উদ্যোগ তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহে বড় ধরনের সহায়তা করবে এবং পারিবারিক ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বস্তি এনে দেবে।
পরিশেষে সালাউদ্দীন আলী বলেন, ভবিষ্যতেও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ ধরনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হবে, যাতে অধিক সংখ্যক মানুষ এই সুবিধার আওতায় আসতে পারে এবং একটি টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on email