
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব এবং স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান অবিস্মরণীয়। ইতিহাসকে বিকৃত বা আড়াল করা গেলেও মুছে ফেলা যায় না।
মন্ত্রী গতকাল চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়াতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রথম সমাধিতে জিয়ারত,পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া ও মোনাজাত শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা যুদ্ধের আহ্বান জানিয়ে অস্ত্র হাতে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টরের প্রথম সেক্টর কমান্ডার এবং পরবর্তীতে ‘জেড ফোর্স’ এর অধিনায়ক হিসেবে বীরত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন,যা ইতিহাসে চিরস্মরণীয়।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর রাষ্ট্র পরিচালনায় জিয়াউর রহমান বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি সুদৃঢ় করেন, জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায়, কৃষি, শিল্প, রপ্তানি, প্রবাসী কর্মসংস্থান, তৈরি পোশাক শিল্প ও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের ভিত রচনা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। মন্ত্রী উল্লেখ করেন জনগণের ভোটাধিকার, সংসদীয় গণতন্ত্র, নারী শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তিনি আরো বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। নির্বাচনের পর জনগণের দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, ধর্মীয় নেতাদের প্রণোদনা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়নমুখী বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে।পরে মন্ত্রী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধি সংলগ্ন এতিম ও দুঃস্থ শিশুদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন ও ৪৮ তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে প্রশিক্ষণ সামগ্রী বিতরণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ ,চট্টগ্রাম ৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী, প্রকৌশলী ও স্থপতি মাসুদুর রহমান খানসহ সরকারি- বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।







