
হংকং রিসার্চ সেন্টার ফর এশিয়ান স্টাডিজ বাংলাদেশ সেন্টার (আরসিএএসবিসি) এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ-এর উদ্যােগে “Rethinking Rule-Based Global Order: Middle and Small States in a Changing World” প্রতিপাদ্যে দুই দিনব্যাপী ১ম RCASBC আন্তর্জাতিক সম্মেলন ২০২৬-এর সমাপনী পর্ব আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকাল ৫.৩০টায় চবি সমাজবিজ্ঞান অনুষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
সমাপনী সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন।
বক্তব্যে চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম লক্ষ্য হলো একটি প্রাণবন্ত একাডেমিক পরিবেশ তৈরি করা; যেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকরা জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে নতুন চিন্তার বিকাশ ঘটাবে। এই সম্মেলনে ২৪টি দেশের অংশগ্রহণ এবং ২৫০টিরও বেশি গবেষণাপত্র উপস্থাপন প্রমাণ করে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক একাডেমিক পরিমণ্ডলে তার অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে। এ ধরনের আয়োজন শুধু জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে না; বরং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষক ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি যোগাযোগ ও সহযোগিতার পথও তৈরি করে। আশা করি, সম্মেলনে উপস্থাপিত গবেষণা ও আলোচনার ফলাফল নীতিনির্ধারকদের জন্য কার্যকর নির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আমি আশা করি, বিভিন্ন দেশ থেকে আসা গবেষক ও অংশগ্রহণকারীরা এই সম্মেলন থেকে যে অভিজ্ঞতা ও বার্তা নিয়ে নিজ নিজ দেশে ফিরবেন, তা ভবিষ্যৎ গবেষণা, নীতিনির্ধারণ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ২৪টি দেশের অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ইতোমধ্যে একটি শক্তিশালী একাডেমিক নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সভাপতি ও আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ নিয়াজ মোরশেদের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক এবং হংকং রিসার্চ সেন্টার ফর এশিয়ান স্টাডিজ বাংলাদেশ-এর পরিচালক প্রফেসর ড. সুজিত কুমার দত্ত।
দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষাবিদ, গবেষক, শিক্ষক, কূটনীতিক, নীতিনির্ধারক ও বিভিন্ন পেশাজীবী অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বিশ্বের ২৪টি দেশ থেকে মোট ৪৫৭টি গবেষণা-সারসংক্ষেপ জমা পড়েছে। জমা পড়া গবেষণা-সারসংক্ষেপগুলোতে ৮০০-এর বেশি স্বতন্ত্র লেখক ও গবেষক এবং বিশ্বের ১২০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, থিংক ট্যাংক ও অন্যান্য একাডেমিক ও পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব ছিল। গবেষণা-সারসংক্ষেপ পর্যালোচনা ও বাছাই প্রক্রিয়া শেষে সম্মেলনের ছয়টি বিষয়ভিত্তিক সেশনে প্রায় ২০০টি গবেষণাপত্র উপস্থাপিত হয়েছে।







