,

ব্যারিস্টার মীর হেলালের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে হাটহাজারী

ব্যারিস্টার মীর হেলালের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে হাটহাজারী

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ নিরসনে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক সংস্কার, সংযোগ সড়কে আরসিসি ঢালাই, কালভার্ট নির্মাণ এবং খাল খনন, শিক্ষা স্বাস্থ্য খাতের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। এসব উদ্যোগের ফলে উপজেলার যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করা, মানুষের চলাচল সহজ করা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতও।

দীর্ঘ ১৭ বছর যিনি অত্র এলাকার সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি মূলত পকেট ভারি ছাড়া হাটহাজারীর উন্নয়নে বড় কোন প্রকল্প গহন করতে পারেনি। ভোটার বিহীন নির্বাচনে ভোট ছাড়া তিনি হয়েছেন বারবার সংসদ সদস্য। ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৮ মাসের মধ্যে
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম গুলোকে চিহ্নিত করে কাজ শুরু করেন। এসব সড়কের কোথাও সংস্কার, কোথাও ঢালাই এবং কোথাও উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে।এর মধ্যে উত্তর মাদার্শা, ধলই, ফরহাদাবাদ, মেখল ও দক্ষিণ মাদার্শাসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়ক উন্নয়ন ও সংস্কারের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কয়েকটি প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে, আবার কিছু কাজ রয়েছে চলমান অবস্থায়।

ব্যারিস্টার মীর হেলালের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে হাটহাজারী
যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশন ও জলাবদ্ধতা নিরসনেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। হাটহাজারী পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।নেওয়া হয়েছে বিদ্যুতের লাইটের ব্যবস্থা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পানি জমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা কমাতে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা জরুরি। তবে এসব উদ্যোগের দীর্ঘমেয়াদি সুফল নিশ্চিত করতে নিয়মিত খাল পরিষ্কার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং অবৈধ দখল প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
এ ছাড়া সাত্তারঘাট সেতু-সংলগ্ন সরকারি জমি পুনরুদ্ধার এবং ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর গর্ত মেরামতের মতো কার্যক্রমের তথ্যও উন্নয়নসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের যথাযথ বাস্তবায়ন হলে সরকারি সম্পত্তি সুরক্ষা এবং জনসাধারণের নিরাপদ চলাচলে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।অন্যদিকে শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন ভবন সহ বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন।
তবে হাটহাজারীর সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে শুধু সড়ক ও কালভার্ট নির্মাণ যথেষ্ট নয়। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, যানজট নিরসন, নিরাপদ পানি ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, কৃষি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং পরিবেশ সংরক্ষণেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের মান, নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যারিস্টার মীর হেলালের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে হাটহাজারী

স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা, উন্নয়নকাজ যেন কোনো নির্দিষ্ট এলাকা বা গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। উপজেলার প্রত্যন্ত ইউনিয়ন থেকে পৌর এলাকা পর্যন্ত প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রকল্প গ্রহণ এবং কাজের অগ্রগতি নিয়মিত প্রকাশ করা হলে উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে।
তিনি বর্তমান সরকারের ছয় মাসের মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে হাটহাজারী এনে কিছু দৃশ্যমান কার পরিকল্পনা করেছেন।
ব্যারিস্টার মীর হেলালের নেতৃত্বে নেওয়া উদ্যোগগুলো কতটা টেকসই পরিবর্তন আনতে পারবে, তা নির্ভর করবে প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং জনগণের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর। পরিকল্পিত উন্নয়ন, কার্যকর তদারকি এবং জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা গেলে হাটহাজারীকে আরও উন্নত, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব উপজেলায় পরিণত করার পথ সুগম হতে পারে।

ব্যারিস্টার মীর হেলালের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে হাটহাজারী
হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, আগে আমরা দেখেছি এলাকার সংসদ সদস্য হয়ে তারা শুধুমাত্র সরকারি বরাদ্দ ছাড়া কোন বড় প্রকল্প করেনি। তখন কার সংসদ সদস্যরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হওয়ার কারণে এলাকার উন্নয়ন থেকে প্রতিনিয়ত বিমুখ ছিলেন। গত ১২ ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে এক লাখের অধিক ভোটে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন কে হাটহাজারী মানুষ নির্বাচিত করেছেন। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে জনগণে ভোটের প্রতিদান দিতে শুরু করেছেন। তিনি একের পর এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু করেন। মাননীয় মন্ত্রী ইতিমধ্যে বিগত ১৭ বছর যা হয়নি মাত্র ৮ মাসে তার সমতুল্য উন্নয়ন কাজ করেছে।বর্তমান সরকারের মেয়াদের পাঁচ বছরের মধ্যে তিনি হাটহাজারীকে উত্তর চট্টগ্রামের অন্যতম মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবেন এই প্রত্যাশা আমার এবং হাটহাজারীর জনসাধারণের।

অন্য দিকে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এবং তাদের বক্তব্য হলো আগের সরকারের সময় যারা আমাদের প্রতিনিধি ছিল তারা যদি উন্নয়নের কাজ করে যেত তাহলে হাটহাজারী উপজেলা এখন একটি শহরে পরিণত হতো।বর্তমানে আমাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি যেভাবে এলাকা নিয়ে চিন্তাভাবনা করে যাচ্ছেন আগামী দিনে সুন্দর একটা উপজেলা পরিণত হবে এটাই আমাদের আশা।