অপকর্ম করে কোনো দল পার পাবে না: ইসি আবুল ফজল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অপকর্ম করে কোনো দল পার পাবে না: ইসি আবুল ফজল

কোনো গোষ্ঠী বা দল যদি অপকর্ম করে পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আইনশৃঙ্খলা সেলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, আপনারা যে অপারেশনগুলো করছেন, অপারেশনের পরে তা মিডিয়ায় দিয়ে দিবেন। কোনো গোষ্ঠী বা দল যদি অপকর্ম করে পার পেয়ে যেতে চায় তাহলে তারা যেন উৎসাহিত বোধ না করে।
কারণ তারা জানবে অপকর্ম করলে ধরা পড়তে হবে এবং অপকর্ম লোকালি থাকবে না জাতীয় বিষয় হয়ে যাবে। লোকাল ক্ষতির পাশাপাশি জাতীয় ক্ষতি হবে। আমরা চাই রাজনৈতিক দলগুলো আইন মেনে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন করুক।

ইসি আরও বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক ধরণের গান (অস্ত্র) রানিং হয়।
অস্ত্রের একটা সঞ্চালন দেখা দেয়। সন্ত্রাসীদের কদর বেড়ে যায়। জুলাই অভ্যুত্থানের পর এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। ৮৫ শতাংশের কাছাকাছি অস্ত্র উদ্ধার হলেও এখনও আনুমানিক ১৫ শতাংশ অস্ত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি।
এইগুলো খুঁজে পেতে হবে। শতভাগ খুঁজে পাবেন তা আশা করা যায় না। তবে যারা এগুলো নিয়েছে,ন তাদের চিহ্নিত করতে বা উদ্ধার করতে পারেন তাহলে মানুষের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র গোলাবারুদের একটি বড় অংশ এখনও উদ্ধার হয়নি। আনুমানিক ৭০-৭৫ শতাংশ উদ্ধার করা গেছে।
বাকিটা এখনও মাঠে আছে। এটাকেও খুঁজে পেতে হবে।

নির্বাচনকে ঘিরে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল যাতে সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, এ এলাকায় (চট্টগ্রাম) সংখ্যালঘুদের আবাস আছে। নির্বাচনকে ঘিরে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল সংখ্যালঘুদের মাঝে বিভিন্ন ঘটনা ঘটানোর প্রয়াস চালাতে পারে। অতীতেও এমন ঘটনা ঘটেছে। সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

নির্বাচনের আগে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সীমান্ত বন্ধ রাখা জরুরি উল্লেখ করে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ও সীমান্ত অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে বলে আমাদের ধারণা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পভিত্তিক কিছু কর্মকাণ্ড নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে। কেউ যদি একটা অস্ত্র সীমান্তের ওপার থেকে এনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঢুকিয়ে ফেলে সহজে এটাকে খুঁজে পাওয়া যায় না। সুতরাং রোহিঙ্গাদের চলাচলে অবশ্য নিয়ন্ত্রণ আপোর করতে হবে।

মতবিনিয়ম সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমদ খাঁন প্রমুখ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on email