এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, স্বৈরাচারের আমলে যেসব মা তাদের সন্তানদের হারিয়েছেন এবং যেসব বোন তাদের স্বামীকে হারিয়েছেন, আজ তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার মতো কিছু নেই।
শনিবার রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিগত আন্দোলন ও নিপীড়নে গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ ও ‘মায়ের ডাক’ এই সভার আয়োজন করে।
ষড়যন্ত্র দমনে সজাগ থাকার আহ্বান মতবিনিময় সভায় তারেক রহমান বলেন, কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না। যারা গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন, রাষ্ট্র তাদের দায় এড়াতে পারে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সবাইকে সজাগ থাকতে হবে যাতে কেউ নতুন করে কোনো চক্রান্ত করতে না পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রতিটি অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত করতে হলে দেশে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। জনগণের শাসন কায়েম না হওয়া পর্যন্ত ন্যায়বিচার পাওয়া কঠিন।
শহীদদের স্মরণে বিশেষ উদ্যোগ গুম ও খুনের শিকার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তারেক রহমান ঘোষণা দেন যে, বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এলে এসব শহীদদের ত্যাগের স্বীকৃতি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রে এসব বীর শহীদদের নামে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নামকরণ করা হবে।
সভায় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী এবং আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনসহ আরও অনেক নেতাকর্মী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।







