
চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর বলেছেন, ফটিকছড়িতে প্রচুর পরিমাণে গ্যাস ও সম্পদ রয়েছে। এগুলো উত্তোলন করা গেলে পুরো ফটিকছড়ি ‘গ্যাসের ওপর ভাসবে’। তিনি বলেন, ফটিকছড়িতে ১৮টি চা-বাগান রয়েছে এবং এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় চা-বাগানও এই উপজেলায়। সরকারের সহযোগিতা পেলে ফটিকছড়ি দেশের সেরা চা-নগরীতে পরিণত হতে পারে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ভবনের ভিআইপি লাউঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
সারোয়ার আলমগীর বলেন, ফটিকছড়িতে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে। স্বাধীনতার পর অনেক গ্যাসের চিহ্ন সিসা দিয়ে ঢালাই করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) নতুন করে এসব স্থান পরীক্ষা করে উত্তোলনের উদ্যোগ নিলে এখান থেকে প্রচুর গ্যাস পাওয়া সম্ভব।
তিনি বলেন, চা-বাগানগুলোতে গ্যাস সুবিধা নেই। ফটিকছড়ির গ্যাস যদি স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করা যেত, তাহলে এ এলাকা শিল্প ও অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারত। তাঁর ভাষায়, এখানে গ্যাসের ব্যবস্থা করা গেলে এটি ‘সিঙ্গাপুর’ হয়ে উঠতে পারত।
বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, ফটিকছড়ি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা। এখানে চারটি রাবার বাগান রয়েছে। মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের তুলনায় এই উপজেলায় চার গুণের বেশি অনাবাদি জায়গা আছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাত্র এক ঘণ্টা দশ মিনিটের পথ হওয়ায় এখানে কোনো ধরনের মাটি ভরাট ছাড়াই শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা সম্ভব।
সারোয়ার আলমগীর বলেন, ফটিকছড়ি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এলাকা। কিন্তু এলাকায় শিল্প-কারখানা না থাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ কম। শিল্প-কারখানা গড়ে তোলা গেলে যুবকদের জন্য আইটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করা সম্ভব হবে এবং বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান হবে। নারীদের শিক্ষার সুব্যবস্থা করতেও উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন তিনি।
সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্নেল আজিম উল্লাহ বাহার (অব.), সাবেক বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক সালাহ উদ্দিন, সদস্য সচিব আহমদ হোসেন তালুকদার, বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন এবং ফটিকছড়ি নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক মির্জা মুহাম্মদ আকবর প্রমুখ।







