
হাটহাজারীতে এক ব্যারিস্টারের আনিসের যুগ অবসান, শুরু হলো ব্যারিস্টার মীর হেলালের যুগ।দীর্ঘ দুই যুগের ও বেশি সময় আনিস মন্ত্রী থেকে নিজের আখের গোছানো ছাড়া দিতে পারেনি হাটহাজারী বাসীর জন্য কিছুই। নিজে এবং নিজের পরিবার শুধু ক্ষমতার স্বাদ নিয়েছেন ২৪ বছর। স্বৈরাচার এরশাদ এবং স্বৈরাচারী শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখার অন্যতম ব্যক্তি সেই আনিসুল ইসলাম।
১৯৮০ সাল থেকে হাটহাজারীর এমপি হিসেবে ছিলেন ব্যারিস্টার আনিস। কিন্তু জনগণের ভোটা নয় স্বৈরাচার এরশাদ ও শেখ হাসিনার আমলে ভোট এবং বিনা ভোটের এমপি মন্ত্রী হয়ে ক্ষমতা ব্যবহার করলেও হাটহাজারী বাসীর জন্য দৃশ্যমান কিছুই করতে পারেনি। চট্টগ্রাম শহরের পরেই হাটহাজারী উপজেলার স্থান। এখানে রয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, উপমহাদেশের অন্যতম দ্বিতীয় আরবী বিশ্ববিদ্যালয় হাটহাজারী মাদ্রাসা, কৃষি ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম সেনানিবাসের মত প্রতিষ্ঠান থাকার কারণে হাটহাজারীর অনেক গুরুত্ব বহন করে। সে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ হাটহাজারী নিয়ে কখনো চিন্তা করেনি। তিনি সব সময় ক্ষমতা এবং নিজের পরিবারের চিন্তাই করতেন।
চট্টগ্রামের অনেক উপজেলায় বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি, বিশ্ববিদ্যালয়, পোষাকখানা,মেডিকেল থাকলেও হাটহাজারীতে তিনি পারেনি একটি প্রতিষ্ঠান করতে।
স্বৈরাচার এরশাদের সময় আদু বাহিনী ছিল তার অন্যতম সম্বল। তিনি তখন জনগণকে বলতেন আপনাদের ভোট আমার প্রয়োজন নেই,আমার ভোট আদু নিয়ে দেবে।তখন হাটহাজারী উপজেলার শিকারপু,বুড়িশ্বর, উত্তর মার্দাশা, দক্ষিণ মার্দাশা,চিকনদন্ডী,ফতেয়াবাদ এলাকার মানুষ রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারেনি। ঐ এলাকার অনেক মায়ের বুক খালি করে সে আদু।পঙ্গু করে আনেক যুবকে।
সব সংসদ নির্বাচনে এই ব্যারিস্টার আনিস নির্বাচন আসলে চুরি করে হয়ে গেছেন এমপি। তবে একবার তিনি সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ ওহিদুল আলমের কাছ থেকে জামানত হারিয়েছিলেন।

তার দুই যুগের ক্ষমতার অবসান হলো শেখ হাসিনা পালানোর মধ্য দিয়ে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদের নির্বাচনে হাটহাজারীর কৃতি সন্তান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল বিশাল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার ব্যারিস্টার আনিসের যুগ অবসান হলো।
হাটহাজারীর নতুন অভিভাবক ব্যারিস্টার মীর হেলালের প্রতি অনেক প্রত্যাশা জনগনের।তিনি গতকাল প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর মানুষের মধ্যে অনেক প্রত্যাশাও আশা জেগেছে। তার বেটা মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন গ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র ও মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালীন অনেক চেষ্টা করেছেন হাটহাজারীর জন্য কিছু করতে। তিনি হাটহাজারী জনপ্রতিনিধি না হয়েও রাস্তাঘাট সহ অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছিলেন হাটহাজারীতে।দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে কয়েক শত যুবককে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকরি দিয়েছিলেন। এখন হাটহাজারী বাসির নতুন অভিভাবক ব্যারিস্টার মীর হেলালের প্রতি অনেক প্রত্যাশা হাটহাজারী জনগণের। জনগণেরও প্রত্যাশা তার পিতার মতো ব্যারিস্টার মীর হেলাল এলাকার উন্নয়ন এবং সমস্যা গুলো রয়েছেন সেগুলো ধাপে ধাপে পূরণ করবেন।







