মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও নেই যানজট

মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও নেই যানজট

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ প্রিয়জনদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে ঘরমুখী মানুষের ঢল নেমেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে। যানবাহনের ব্যাপক চাপ থাকলেও চিরচেনা যানজট ছাড়াই এবার স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন যাত্রীরা। বুধবার সকাল পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও কোনো বড় ধরনের যানজটের খবর পাওয়া যায়নি।

সরেজমিনে এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস ও আশেকপুর বাইপাসসহ বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা গেছে, যাত্রীরা বাস ছাড়াও ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোবাস এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে করে গন্তব্যে ছুটছেন। তবে এবার মহাসড়কে বাসের চেয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা অনেক বেশি লক্ষ্য করা গেছে। গাজীপুর থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত চারলেনের সুবিধা পাওয়ায় উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীরা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারছেন।

যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত) সেতু দিয়ে রেকর্ড ৪৬ হাজার ৯৬৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহনের সংখ্যা ছিল ২৭ হাজার ৪৯৮টি। একদিনে মোট টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৪ হাজার ৬৫০ টাকা। ঈদযাত্রায় যানবাহনের বাড়তি চাপ সামাল দিতে সেতুর দুই প্রান্তে ৯টি করে মোট ১৮টি বুথ দিয়ে টোল আদায় করা হচ্ছে, যার মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা বুথের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সেতুর দুই প্রান্তে যান চলাচল সচল রাখতে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, বিগত দুই দিনের মতো আজও যানবাহনের চাপ রয়েছে, তবে কোথাও কোনো জটলা সৃষ্টি হয়নি। যানবাহনগুলো স্বাভাবিক গতিতেই চলছে। ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ প্রিয়জনদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে ঘরমুখী মানুষের ঢল নেমেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে। যানবাহনের ব্যাপক চাপ থাকলেও চিরচেনা যানজট ছাড়াই এবার স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন যাত্রীরা। বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও কোনো বড় ধরনের যানজটের খবর পাওয়া যায়নি।

সরেজমিনে এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস ও আশেকপুর বাইপাসসহ বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা গেছে, যাত্রীরা বাস ছাড়াও ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোবাস এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে করে গন্তব্যে ছুটছেন। তবে এবার মহাসড়কে বাসের চেয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা অনেক বেশি লক্ষ্য করা গেছে। গাজীপুর থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত চারলেনের সুবিধা পাওয়ায় উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীরা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারছেন।

যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত) সেতু দিয়ে রেকর্ড ৪৬ হাজার ৯৬৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহনের সংখ্যা ছিল ২৭ হাজার ৪৯৮টি। একদিনে মোট টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৪ হাজার ৬৫০ টাকা। ঈদযাত্রায় যানবাহনের বাড়তি চাপ সামাল দিতে সেতুর দুই প্রান্তে ৯টি করে মোট ১৮টি বুথ দিয়ে টোল আদায় করা হচ্ছে, যার মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা বুথের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সেতুর দুই প্রান্তে যান চলাচল সচল রাখতে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, বিগত দুই দিনের মতো আজও যানবাহনের চাপ রয়েছে, তবে কোথাও কোনো জটলা সৃষ্টি হয়নি। যানবাহনগুলো স্বাভাবিক গতিতেই চলছে। ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on email