
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেছেন, পরিশ্রম ও সাধনা ছাড়া কোনো কিছুই অর্জন করা সম্ভব না। লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে সময়কে কাজে লাগাতে হবে এবং নিরলস পরিশ্রম করে যেতে হবে। স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সাধনা করতে হবে। তাহলেই সফলতা ধরা দিবে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) বেলা ১১টায় হাটহাজারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়, ষষ্ঠ ও একাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের নবীন বরণ, কৃতী ছাত্রী সংবর্ধনা এবং স্কুল এন্ড কলেজের তিনজন শিক্ষকের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন চবি মাননীয় উপাচার্য।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। উপাচার্য তাঁর শিক্ষাজীবনের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, বিনা পরিশ্রমে শূন্য থেকে কিছুই হয় না। কিছু পেতে হলে, স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে পরিশ্রম করতে হবে। শুধু পরিশ্রম করলে হবে না, জ্ঞান অর্জনও করতে হবে। জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি পরিশ্রম ও সাধনা করলে সৃষ্টিকর্তা সফল করবেন। তিনি বলেন, এখন আমরা মোবাইলে অনেক সময় ব্যয় করি। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা সময় অপচয় করি। এর থেকে বর্তমান প্রজন্মকে বেরিয়ে আসতে হবে। শিক্ষাগ্রহণের পাশাপাশি মানবিক মানুষ হওয়ার আহ্বান জানান মাননীয় উপাচার্য।
পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য উপাচার্য বলেন, জীবনের বড় একটি পরীক্ষা তোমরা দিতে যাচ্ছো, এজন্য প্রতিটি মূহুর্ত তোমাদের কাজে লাগাতে হবে। কোনোভাবে সময়ের অপচয় করা যাবে না। নিজের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। স্বপ্ন দেখতে হবে। তবে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখলে হবে না। এমন স্বপ্ন দেখতে হবে, যা তোমাকে ঘুমাতে দিবে না। মাননীয় উপাচার্য পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনা করেন। এছাড়া বিদায়ী তিন শিক্ষক সফলতার সাথে শিক্ষকতা জীবন শেষ করায় অভিনন্দন জানান এবং পরবর্তী জীবনের জন্য শুভ কামনা জানান।
হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও হাটহাজারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ জনাব মো. গিয়াস উদ্দিন। অনুষ্ঠানে উপাচার্যকে ফুল দিয়ে বরণ ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ, গিয়াস উদ্দিন চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য গোবিন্দ প্রসাদ মহাজন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় এবং কৃতী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন মিসেস শামীম আক্তার, শাহাদাত হোসেন ও হাসান কামরুল। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কাটিরহাট মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক শেখ আহাম্মদ, স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবকবৃন্দ, আগত অতিথিবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।







