
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে একদিনে ভিড়ছে এক লাখ টনের বেশি ডিজেল ও অকটেনবাহী চার অয়েল ট্যাঙ্কার। যা চলমান সংকট শুরুর পর একদিনে জ্বালানি তেলের সর্বোচ্চ সরবরাহ।শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দরে চারটি অয়েল ট্যাঙ্কার ভেড়ার শিডিউল ছিল। এর মধ্যে দুটি ভিড়েছে বহির্নোঙরে। বাকি দুটি ট্যাঙ্কার শুক্রবার রাতের মধ্যে বহির্নোঙরে ভেড়ার কথা।
বিপিসি সূত্র জানায়, শুক্রবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ১ লাখ ৯ হাজার টন ডিজেল নিয়ে তিনটি অয়েল ট্যাঙ্কার ভেড়ার শিডিউল আছে। ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে আরেকটি ট্যাঙ্কারও ভিড়বে বন্দর বহির্নোঙরে। মধ্যপ্রাচ্য সংকট শুরুর পর চার ট্যাঙ্কারে জ্বালানি তেলের বড় চালানের সরবরাহ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছছে।
শুক্রবার রাত ১১টায় ৩৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আসে এমটি ‘কেপ বনি’ নামের আরেক ট্যাঙ্কার। এটিও ভিড়ে বহির্নোঙরে। চার ট্যাঙ্কারের প্রতিটিতে জ্বালানি তেলের পরিমাণ বেশি। তাই দু’একদিন দিন বন্দর বহির্নোঙরে খালাস চলবে। এরপর ট্যাঙ্কারের ড্রাফট কমে এলে বিশেষায়িত ডলফিন অয়েল জেটিতে জ্বালানি তেল খালাস করা হবে।
চার ট্যাঙ্কারের স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনস। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানান, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৩৫ হাজার টন ডিজেল নিয়ে এমটি ‘ওকট্রি’ নামে ট্যাঙ্কারটি দুপুর ১২টার দিকে বন্দর বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। এরপর ভারত থেকে ৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ‘লিয়ান সং হু’ নামের আরেকটি অয়েল ট্যাঙ্কার বহির্নোঙরে এসে পৌঁছে গেছে। রাত ৮টা থেকে ১১টার মধ্যে ভিড়বে ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে এমটি ‘নেভ সিয়েলো’ নামের একটি ট্যাঙ্কার ভিড়বে বহির্নোঙরে। এটি মালয়েশিয়া থেকে আসবে।
জ্বালানি তেলের চার ট্যাঙ্কার ভেড়ার তথ্য জানিয়ে প্রাইড শিপিংয়ের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, চার জ্বালানি তেলের ট্যাঙ্কার আকারে বড়। তাই বহির্নোঙরে ভেড়ার পর কিছু তেল সেখানে খালাস করা হবে। এরপর ডলফিন অয়েল জেটিতে ভেড়ানোর পর বাকি তেলগুলো খালাস করা হবে।
বিপিসি জানায়, সারা দেশের ডিপোগুলো থেকে প্রতিদিন ডিজেলের চাহিদা ১২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টনের বেশি। অকটেনের চাহিদা ১ হাজার ২০০ টন। চট্টগ্রাম বন্দরে ভেড়া নতুন চার ট্যাঙ্কার থেকে খালাস শেষে ডিজেল ও অকটেনের মজুত বাড়বে। এতে মজুত সংকটও কমবে।







