
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতায় নগরবাসীর চরম ভোগান্তিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি এই দুঃখ প্রকাশ করেন এবং সমস্যা সমাধানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সূচিত ঐতিহাসিক ‘খাল খনন’ কর্মসূচিতে পুনরায় ফিরে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় অংশ এখন পানির নিচে, মানুষ অবর্ণনীয় কষ্ট পাচ্ছে। এই পরিস্থিতির জন্য আমি আমার অবস্থান থেকে চট্টগ্রামের সব নাগরিকের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
তিনি জানান, সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের সঙ্গে তার কথা হয়েছে এবং উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। তবে জলাবদ্ধতার ব্যাপকতার কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে।
জলাবদ্ধতাকে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এই সমস্যা সমাধানে একজন রাজনীতি বিশেষজ্ঞ ছিলেন— শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি সারা দেশে স্বেচ্ছাশ্রম ও খাল খননের মাধ্যমে পানির আধার তৈরি এবং বন্যা ও জলাবদ্ধতা দূর করেছিলেন। আমাদের আবার সেই মডেলেই ফিরে যেতে হবে। সরকার ইতিমধ্যে সারাদেশে পুরনো খাল উদ্ধার ও সংস্কারের কাজ শুরু করেছে বলেও তিনি সংসদকে জানান।
জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ হিসেবে যত্রতত্র প্লাস্টিক ও পলিথিন ফেলাকে দায়ী করেন সংসদ নেতা। তিনি বলেন, ড্রেন পরিষ্কার করার কয়েক দিনের মধ্যেই তা ময়লায় ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এ সময় তিনি সব সংসদ সদস্যকে নিজ নিজ এলাকায় জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান। সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাকে তিনি জনপ্রতিনিধিদের নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে অভিহিত করেন।







