,

বৃক্ষরোপণকে সামাজিক ও ব্যক্তি আন্দোলনে রূপ দিতে হবে-চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার

বৃক্ষরোপণকে সামাজিক ও ব্যক্তি আন্দোলনে রূপ দিতে হবে-চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার
বৃক্ষরোপণকে সামাজিক ও ব্যক্তি আন্দোলনে রূপ দিতে হবে-চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরিতে বৃক্ষরোপণকে কেবল একটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি না রেখে দেশব্যাপী সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন ।
তিনি বলেন,শিক্ষার্থী, শিক্ষক, নারী ও তরুণ প্রজন্মসহ সমাজের সব স্তরের মানুষকে গাছ লাগানোর কাজে যুক্ত করতে হবে।
তিনি আজ সোমবার চট্টগ্রাম বন বিভাগ আয়োজিত বৃক্ষরোপন ও বৃক্ষমেলার সমাপনি অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্য কালে এ কথা বলেন।
চট্টগ্রাম এর জেলা প্রশাসক জাহেদুল ইসলাম মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষণ মিহির কুমার দো, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, নার্সারির পক্ষে ফতেয়াবাদ নার্সারীর জসিম উদ্দিন বক্তব্য রাখেন।
ড. মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন বলেন, সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শুধু সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ—সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে পারলেই আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য দেশ উপহার দিতে পারব।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক জাহেদুল ইসলাম মিয়া বলেন,এটি সরকারের একটি অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি এবং একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এ উদ্যোগের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, “বৃক্ষরোপণকে আমরা শুধু একটি আনুষ্ঠানিক বা সামাজিক কর্মসূচি হিসেবে দেখতে চাই না; বরং এটিকে ব্যক্তি পর্যায়ের আন্দোলনে রূপ দিতে চাই। দেশের প্রতিটি দপ্তর, মন্ত্রণালয়, সংস্থা, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ জনগণকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন,এই কর্মসূচিকে সফল করতে হলে এটিকে মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের অংশ করে তুলতে হবে। তিনি বলেন, “পরিবারে নতুন সদস্য আগমন, কোনো সুসংবাদ বা আনন্দঘন মুহূর্তে যদি প্রতিটি পরিবার কয়েকটি করে গাছ লাগায়, তাহলে খুব অল্প সময়েই আমরা একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।” তিনি আরো বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি তাদের পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজনদেরও এই কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করতে হবে। এতে করে একটি বৃহৎ সামাজিক সচেতনতা তৈরি হবে এবং কর্মসূচিটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিস্তৃত হবে।
পরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ছয়টি নার্সারি কে পুরস্কৃত করা হয়।হিলভিয় নার্সারি প্রথম ফতিয়াবাদ নার্সারি দ্বিতীয় এবং কুসুম বাগ তৃতীয় স্থান হিসেবে পুরস্কার লাভ করে।বৃক্ষ মেলা আরো ৫ দিন বাড়ানো হয় জনগণ ও নার্সারি মালিক দের অনুরোধে।