,

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকবে সরকার-প্রধানমন্ত্রী

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকবে সরকার-প্রধানমন্ত্রী
জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকবে সরকার-প্রধানমন্ত্রী

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সরকার সবসময় থাকবে বলে দৃঢ় আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানান, সীমিত সম্পদের পরও এসব পরিবারের কল্যাণ ও সহায়তায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

শনিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ সব কথা বলেন। জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই আয়োজিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সীমিত সম্পদের মধ্যেও তাঁদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে অবস্থান করার। যে অপূরণীয় ক্ষতি স্বজনদের হয়েছে, তা কোনো কিছু দিয়েই পূরণ করা সম্ভব নয়। তবুও সরকার সবসময় তাঁদের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও এ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদ এবং ভুক্তভোগীদের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ।

আবেগময় কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এমন কিছু মানুষকে আজ স্মরণ করা হচ্ছে, যাঁদের স্বাভাবিকভাবে সবার মাঝে থাকার কথা ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তাঁরা আজ নেই। তাঁদের এই মহান ত্যাগের বিনিময়েই আজ দেশের মানুষ একটি ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থা থেকে মুক্তি পেয়েছে।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং সর্বশেষ জুলাই অভ্যুত্থানে আত্মদানকারীদের কথা স্মরণ করে সরকারপ্রধান বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিরা এবং জুলাই আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্তদের যে লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষা ছিল, এই সরকার তা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। বিভিন্ন বাস্তবতার কারণে অনেক সময় দ্রুত সবকিছু সম্ভব না হলেও সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে সরকারের কাজের মূল প্রেরণা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ত্যাগ, সমর্থন ও সহযোগিতার কারণেই সরকার পূর্ণ উদ্যমে কাজ করার সাহস পাচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোই সরকারের শক্তি ও উদ্দীপনার মূল উৎস।

অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানে আহত পরিবারের সদস্যরাও বক্তব্য দেন এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, হাসান শিপলু, সুজাউদ্দৌলা, শাহাদাৎ স্বাধীন, সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক ও শাহরিয়ার পামিরসহ অনেকে।