
সীতাকুণ্ডে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের ওপর লরি উঠে গেলে নারী-শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন।
সোমবার দিবাগত রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড় কুমিরা রয়েল গেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে তিনজন নারী, একজন শিশু ও একজন পুরুষ রয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজন ঘটনাস্থলে এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজন মারা যান। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
আহতদের মধ্যে ফাতেমা (৪০), স্বপ্না (৩০), ইব্রাহিম (৩০) ও রাকিব (৮) নামে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। অন্যদের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। তাঁদের বাড়ি নেত্রকোণার মদন উপজেলার শিবাশ্রম এলাকায়।
নিহত এক শিশুর বাবা জানান, চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে শাপলা পরিবহনের ঢাকা মেট্রো-ব-১৩১৩০৮ নম্বরের একটি বাস যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বড় কুমিরা এলাকায় বিকল হয়ে পড়ে। এ সময় বাস থেকে নেমে ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী সড়কের পাশে একটি গাছের নিচে বসেছিলেন।
তখন ঢাকামুখী একটি লরি অন্য একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের ওপর উঠে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজনের মৃত্যু হয়।
ফায়ার সার্ভিসের কুমিরা স্টেশনের ফায়ার ফাইটার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, বাসটি মেরামতের সময় যাত্রীরা সড়কের পাশে অবস্থান করছিলেন। এ সময় ঢাকামুখী একটি লরি তাঁদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হন। আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরও দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।







