
ফলাফল ঘোষণা ও শপথের সুযোগ চেয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত বিএনপির দুই প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের আবেদন নথিভুক্ত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
একই সঙ্গে তাদের পৃথক আবেদনের ওপর শুনানির জন্য আগামী ৯ জুন পরবর্তী দিন ঠিক করেছেন আপিল বিভাগ। এ দুই প্রার্থী হলেন— চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিজয়ী আসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-২ আসনে বিজয়ী সারোয়ার আলমগীর।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে, নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শেষে গত ১৮ জানুয়ারি ঋণখেলাপির অভিযোগের মুখে থাকা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। ইসির সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ রিট করলে হাইকোর্ট তা খারিজ করেন। এরপর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে আপিল বিভাগে আবেদন করে। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী লিভ টু আপিল করেন।
গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহালের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে। এরপর আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। তবে আদালতের ওই আদেশে বলা হয়, যদি আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সফল হন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ এ সংক্রান্ত আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি। এ অবস্থায় ফলাফল ঘোষণা ও শপথের সুযোগ চেয়ে তিনি আবেদন করেন।
অন্যদিকে, সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বহালের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলও গত ৩ ফেব্রুয়ারি মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। সারোয়ার আলমগীর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। তবে আদেশে বলা হয়, যদি সারোয়ার আলমগীর নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সফল হন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ এ–সংক্রান্ত আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সারোয়ার আলমগীরও বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি। এ অবস্থায় ফলাফল ঘোষণা ও শপথের সুযোগ চেয়ে তিনিও আবেদন করেন।
এ দুটি পৃথক আবেদন বিষয়ে জামায়াত প্রার্থীর আইনজীবী শিশির মনির বলেন, আজ আংশিক শুনানি হয়েছে। আবেদন দুটি নথিভুক্ত করেছেন সুপ্রিম কোর্ট। আবেদনের ওপর শুনানির জন্য আগামী ৯ জুন ঠিক করেছেন। ওইদিন শুনানির পর আদেশ দেওয়া হবে।







