
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে রোগীর জীবন রক্ষায় এগিয়ে এল দেশের অন্যতম ইস্পাত প্রস্তুতকারী শিল্পগ্রুপ কেএসআএম। শনিবার (২৭ জুন) চমেক হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে কেএসআরএমের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম উদ্দিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বাজেট) আরিফ আহমদ ও চমেক হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিনের কাছে বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর করেন।
অনুষ্ঠানে কেএসআরএম প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের চারটি হিমোডায়ালাইসিস মেশিন, চারটি রিয়েল-টাইম ৪ডি আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন ও জিই ব্র্যান্ডের একটি উদ্ভাবনী কালার ডপলার সিস্টেম হস্তান্তর করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে। এসব সরঞ্জাম অত্যাধুনিক ও বেশ মূল্যবান বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেএসআরএমের পরিচালক জসিম উদ্দিন, উপ পরিচালক ডা. ইলিয়াছ চৌধুরী, সহকারী পরিচালক ডা. কাজী সাইফুল আলম, ডা. দেব প্রসাদ চক্রবর্তী, ডা. রুমা ভট্টাচার্য্য, কেএসআরএম উপ মহাব্যবস্থাপক ওয়াহিদুজ্জামান,মোস্তফা আনোয়ার, মিডিয়া অ্যাডভাইজার মিজানুল ইসলাম, ব্যবস্থাপক তাজ উদ্দিন, করপোরেট চিকিৎসক ডা. মেজবাহ উদ্দিন, চমেক ডা. জুনায়েদ আহমেদ, কেএসআরএম ব্র্যান্ড সমন্বয়ক মনিরুজ্জামান রিয়াদ, মিজান উল হক, মিথুন বড়ুয়া, মিজানুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বাজেট) আরিফ আহমদ বলেন, দুই হাজার ২০০ বেডের চমেক হাসপাতালে যে বাজেট তা অপ্রতুল। তাই অনেক রোগি চিকিৎসা নিতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়। কেএসআরএমের এমন সহায়তা রোগীদের অনেক উপকার হবে। তিনি কেএসআরএমের মতো অন্যন্যা শিল্পগ্রুপকে এমন কাজে সহায়তা করার আহ্বান করেন।
অনুষ্ঠানে চমেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন বলেন, যেকোনো ক্রান্তিকালে শিল্পগ্রুপ কেএসআরএম এগিয়ে আসে সবার আগে। ভরসাস্থল হিসেবে সংকটময় মূহুর্তে আমাদের শরণাপন্ন হতে হয় কেএসআরএমের কাছে। যেকোনো মানবিক কাজে কেএসআরএম আমাদের সারথি হয়ে থাকে। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। অতিমূল্যবার এসব চিকিৎসা সরঞ্জাম জরুরি মূহুর্তে সংকটাপন্ন রোগীর জীবন বাঁচাবে। কম খরচে উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবেন। কেএসআরএমের এমন উদার মানবিক সহায়তা চমেক হাসপাতালেকে সমৃদ্ধ করেছে।
কেএসআরএমের পক্ষে পরিচালক (বিক্রয় ও বিপণন) জসিম উদ্দিন বলেন, কেএসআরএম পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত চমেক হাসপাতালে মানবিক সহায়তার সহযাত্রী হয়ে। আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা মানুষের পাশে থাকা। যেকোনো মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন কাজে আমাদের সহযোগিতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।







