
আজ জুলাই শহিদ দিবস। যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রামে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পন, শহিদ ওয়াসিমের শহিদ হওয়ার স্থান ষোলশহর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় তাঁর নামে স্মৃতিফলকের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও আলোচনা সভা।
সকালে নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। এসময় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়।
পরে এ উপলক্ষে সার্কিট হাউজে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলাপ্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও চট্টগ্রামে নিহত ৯ জনসহ সকল শহিদকে স্মরণ করে বিভাগীয় কমিশনার তাঁর বক্তৃতায় বলেন, আমাদের দেশে এত বড় গণঅভ্যুত্থান এর আগে কখনো হয়নি। নিহত ও আহত শহিদ জুলাই যোদ্ধারা নেতৃত্ব দিয়েছিলো বলেই যে অপশাসনের ধারা সৃষ্টি হয়েছিলো সেখান থেকে আমরা মুক্তি পেয়েছি। এই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শিক্ষায় উজ্জীবিত হয়ে আর কখনো কোনো রকমের অন্যায় শাসনের ক্ষেত্রে, অন্যায় নির্দেশনার ক্ষেত্রে আমরা জনগণের বাহিরে যাবো না। তিনি আরও বলেন, শহিদ জুলাই যোদ্ধাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন, তাদের অবদানকে যুগ যুগ ধরে অবিস্মরণীয় করা রাখা ও তাদের পাশে দাঁড়াতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে । এ অধিপ্তরের মাধ্যমে শহিদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, জুলাই কেবল একটি মাস নয়- জুলাই একটি ত্যাগ, আত্মদান ও রাষ্ট্র সংস্কারের মহাকাব্য। জুলাইকে ধারণ করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
সভায় মুক্ত আলোচনায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ফয়সল আহমেদ, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, শহীদ পরিবারের সদস্য, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি বক্তৃতা করেন।
সভার শুরুতেই নিহত জুলাই শহিদদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।







